পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (পঞ্চদশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


| } মহুয়া প্রশ্ন কি তাই শুধাও নক্ষত্রেরে সপ্তঋষির কাছে তোমার প্রণামখানি সেরে । হয়তো বৃথাই সাজ, তৃপ্তিবিহীন চিত্ততলে তৃষ্ণ-অনল দহন করে আজো ; তাই কি শূন্ত আকাশ-পানে চাও, উপেক্ষিত যৌবনেরি ধিক্কার জানাও ? কিম্বা আছ চেয়ে আসবে সে কোন দুঃসাহসী গোপন পন্থা বেয়ে, বক্ষ তোমার দোলে, রক্ত নাচে ত্রাসের উতরোলে । স্তন্ধ আছে তরুশ্রেণী মরণছায়া-ঢাকা, শূন্যে ওড়ে অদৃশু কোন পাখা। আমি পথিক যাব-যে কোন দূরে ; বাহির হয়ে আসবে হোথায় ঐ অলিন্দ-’পরে, দেখবে চেয়ে অকারণে স্তব্ধ নেত্রপাতে গোধূলিবেলাতে বনের সবুজ তরঙ্গ পারায়ে নদীর প্রান্তরেখায় ষে-পথ গিয়েছে হারায়ে । তোমার ইচ্ছা চলবে কল্পনাতে সুদূর পথে আভাসরূপী সেই অজানার সাথে পান্থ ষে-জন নিত্য চলে যায়। আমি পথিক হায়, পিছন-পানে এই বিদেশের সুদূর সৌধশিরে ইচ্ছা আমার পাঠাই ফিরে ফিরে ছায়ায়-ঢাকা অাধেক-দেখা তোমার বাতায়নে, ষে-মুখ তোমার লুকিয়ে ছিল সে-মুখ আঁকি মনে। ১• আশ্বিন ১৩৩৫ · bHL