পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (সপ্তম খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৯২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


br象 রবীন্দ্র-রচনাবলী বধুসজ্জা থাক মা, আমার গায়ে— মেত্রিপুরে যাইব তার লাগি । শুনে মাত কপালে কর হানি কেঁদে কহেন, ‘হায় রে হতভাগী ? গ্রহবিপ্ৰ অণশীর্বাদ করি ধানদুর্ব দিল তাহার মাথে । চড়ে কন্যা চতুৰ্দোলা’পরে, পুরনারী হুলুধ্বনি করে, রঙিন বেশে কিংকরী কিংকরে সারি সারি চলে বালার সাথে । মাতা আসি চুমে খেলেন মুখে, পিতা আসি হস্ত দিলেন মাথে । নিশীথ-রাতে আকাশ আলো করি কে এল রে মেত্রিপুরদ্বারে ! “থামাও বঁাশি? কহে, “থামাও বঁশি— চতুৰ্দোলা নামাও রে দাসদাসী । মিলেছি আজ মেত্রিপুরবাসী মেত্রিপতির চিত রচিবারে । মেত্রিরাজা যুদ্ধে হত আজি, দুঃসময়ে কারা এলে দ্বারে ? ‘বাজাও বঁশি, ওরে বাজাও বঁাশি’ চতুদোলা হতে বধু বলে । এবার লগ্ন আর হবে না পার, আঁচলে গাঠ খুলবে না তো আর, শেষের মন্ত্র উচ্চারো এইবার শ্মশান-সভায় দীপ্ত চিতানলে ‘বাজাও বঁশি, ওরে বাজাও বঁাশি’ চতুৰ্দোলা হতে বধু বলে । ,