বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:রাজকন্যার গুপ্তকথা - দেড়ে বাবাজী.pdf/৭২

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

NIN উদাসিনী রাজকন্যার গুপ্তকথা । বেল মল্লিকার উপর একবার-ভ্ৰমর সকল উড়ে উড়ে বসছে।--ফচকে চুড়ীর ন্যায় কামিনী যেন আহিলাদে ফুটে ঢলে পড়ছে-গাছ পালার নূতন বাহার-নূতন শোভা-সকাল বেলার মধুর বাতাস, মধুর মধুর DB S BD S S SBYD S DS L0L0 DDiYiiBDD BDB S S BDBB SYz গেরুয়া বসন পরে পূর্ব সমুদ্র হতে যেন প্ৰাতঃস্নান ক’রে উঠেছেন। কুলবধুর সুখের রাত ভোর হলো দেখে, বিরস বদনে শয্যা ত্যাগ ক’চ্ছে—বনে পার্থীর কলরব-গৃহে শিশুদের কণ্ঠরব এক ইরে একটা भूङन छात्र ॐ'tश्नtछ। এই সুখে প্ৰত্যুষে উদাসিনী উঠে বসলেন-ক্ৰমে ক্ৰমে আলো হ’য়ে পড়ল। তঁদের সে স্থান ত্যাগ করবার সময় উপস্থিত হলো ! উদাসিনী যে স্থানে পূর্ব রাত্রে শুয়েছিলেন-সেই স্থানে দেখেন, পেনুশিলে লেখা একখণ্ড কাগজ পড়ে আছে। তিনি কাগজখানি কুড়িরে নিয়ে দেখেন নাগৰী অক্ষরে তঁর নাম লেখা । কি আশ্চৰ্য্য ! এই জঙ্গলে আমাকে কে পত্র লিখেছে ? এই ভয়ানক জঙ্গল-রাত্রিকালে কে এ পত্র লিখে এখানে রেখেছে ? তিনি কিছুষ্ট স্থির করতে না পেরে পত্ৰখানি পড়তে লাগলেন। , “প্রিয় বৎসে অরবিলা-- কোন বিশেষ কারণ বশত: আদ্য রাত্ৰেই আমি স্থানান্তরে চলিলাম। তোমার সঙ্গে দেখা না করবার বিশেষ কারণ আছে। আমি তোমাকে আপনি কন্যা অপেক্ষা অধিক ভালবাসি। তুমি আমাকে পিতার ন্যার ভক্তি করিয়া থাক। আমি সময়ান্তরে তোমার সহিত সাক্ষাৎ করিব । বৎসে অরবিলা ! সতীত্ব স্ত্রীলোকের প্রধান ভূষণ ইটী যেন মনে থাকে। সতী স্ত্রী রণে বনে সকল স্থানেই জয়লাভ করিয়া থাকে। মণি ভূষিত কালভুজঙ্গিনীর ন্যায় সতী স্ত্রী সকলের ভয়ের পদার্থ। সতীত্ব ! সতীত্ব ! সতীত্ব ! শ্ৰীবাপুদেব শাস্ত্রী। উদাসিনী পত্ৰখানি পড়ে যারপরনাই ৰিস্মিত হ’লেন। ৰ্যাপার খান কি ? গুরুদেব আমার সঙ্গে দেখা না কৰে cባቔ°| ♥fCቕ 5ርጣ Cፃiçማጓ