লাগলেন। কমলাবতী গোহকে ব্রাহ্মণের ছেলের মত নানা শাস্ত্রে পণ্ডিত করতে চেষ্টা করতেন; কিন্তু বীরের সন্তান গোহের লেখাপড়া পছন্দ হত না, তিনি বনে বনে, পাহাড়ে পাহাড়ে, কোনো দিন ভীলদের সঙ্গে ভীল-বালকের মত, কোনো দিন বা সেই রাজপুতবীরদের সঙ্গে রাজার মত, কখন ঘোড়ায় চড়ে মরুভূমির উপর সিংহ শিকার করে, কখন বা জাল ঘাড়ে বনে বনে হরিণের সন্ধানে ঘুরে বেড়াতেন।
মালিয়া-পাহাড়ের নীচে বীরনগর। সেখানে যত শিষ্ট, শান্ত, নিরীহ ব্রাহ্মণের বাস; আর পাহাড়ের উপরে যেখানে বাঘ ডেকে বেড়ায়, হরিণ চরে বেড়ায়, যেখানে অন্ধকারে সাপের গর্জ্জন, দিবারাত্রি ঝরণার ঝর্ঝর, আশ্চর্য্য আশ্চর্য্য ফুলের গন্ধ, প্রকাণ্ড প্রকাণ্ড বনের ছায়া, সেখানে সেই সকল অন্ধকার বনে বনে, ভীলরাজ মাণ্ডলিক, সাপের মত কালো, বাঘের মত জোরালো, সিংহের মত তেজস্বী, অথচ ছোট একটি ছেলের মত সত্যবাদী, বিশ্বাসী, সরলপ্রাণ ভীলের দল নিয়ে রাজত্ব করতেন।
গোহ একদিন সেই সকল ভীল-বালকদের সঙ্গে ভীল-রাজত্বে ঘোড়ায় চড়ে উপস্থিত হলেন। সেখানে