গিয়েছিলেন; আর আজ আবার কত কাল পরে সেই কমলাবতীর নাতির নাতি বৃদ্ধ রাজপুরোহিতের হাতে গোহর বংশের গিহেলাট রাজকুমার বাপ্পাকে সঁপে দিয়ে, নাগাদিত্যের মহিষী চিতার আগুনে ঝাঁপ দিলেন।
সকালে বৃদ্ধ পুরোহিত রাজপুত্রকে আশ্রয় দিলেন, আর সেইদিন সন্ধ্যার সময় একটি ভীলের মেয়ে ছোট ছোট দুটি ছেলে কোলে তাঁরই ঘরে আশ্রয় নিলে। এদেরই পূর্বপুরুষ সব- প্রথমে নিজের আঙুল কেটে রাজপুত গোহের কপালে রক্তের রাজতিলক টেনে দিয়েছিল—আজ রাজপুত রাজার সঙ্গে তাদেরও সর্ব্বনাশ হয়ে গেল; বিদ্রোহী ভীলেরা তাদেরও ঘরদুয়োর জ্বালিয়ে দিয়ে তাদের তিনটিকে পাহাড়ের উপর থেকে দূর করে দিলে। রাজপুরোহিত সেই তিনটি ভীল আর রাজকুমার বাপ্পাকে নিয়ে বীরনগর ছেড়ে ভাণ্ডীরের কেল্লার যদুবংশের আর-এক ভীলের রাজত্বে কিছুদিন কাটালেন। কিন্তু সেখানেও ভীল রাজা, সেখানেও ভয় ছিল—কোন্ দিন কোন্ ভীল মা-হারা বাপ্পাকে খুন্ করে! ব্রাহ্মণ যে মহারাণীর কাছে প্রতিজ্ঞা করেছেন, বিপদে সম্পদে অনাথ বাপ্পাকে রক্ষা করবেন! তিনি একেবারে ভীলরাজত্ব ছেড়ে তাদের ক’টিকে নিয়ে