ওঁ তৎসৎ। সামবেদের তলবকার উপনিষদের ভাষা বিবরণ ভগবান ভাষ্যকারের ব্যাখ্যানুসারে করা গেল বেদেতে যে যে ব্যক্তির প্রামাণ্য জ্ঞান আছে তাঁহারা ইহাকে মান্য এবং গ্রাহ্য অবশ্যই করিবেন আর যাহার নিকট বেদ প্রমাণ নহেন তাহার সহিত সুতরাং প্রয়োজন নাই ৷৷
ওঁ তৎসৎ। কেনেষিতং ইত্যাদি শ্ৰুতি সকল সামবেদীয় তলবকার শাখার নবমাধ্যায় হয়েন,ইহার পূর্ব্ব পূর্ব্ব অধ্যাযে কৰ্ম্ম এবং দেবোপাসনা কহিযা এ অধ্যায়ে শুদ্ধ ব্রহ্ম তত্ত্ব কহিতেছেন. অতএব এ অধ্যায়কে উপ- নিষৎ অর্থাৎ বেদ শিরোভাগ কহা যায় । এসকল শ্রুতি ব্রহ্ম পর হয়েন কর্ম্ম পর নহেন। শিষ্যের প্রশ্ন গুরুর উত্তর কল্পনা করিয়া এ সকল শ্রুতিতে আত্মতত্ত্ব কহিযাছেন, ইহাব তাৎপর্য এই যে প্রশ্ন উত্তব রূপে যাহা কহ। যাব তাহার অনাযাসে বোধ হয় আব দ্বিতীয় তাৎপর্য এই যে প্রশ্ন উত্তরের দ্বারা জানাইতেছেন যে উপদেশ ব্যতিরেকে কেবল তর্কে তে ব্রহ্মতত্ত্ব জানা যায় না ।
ওঁ তৎসৎ। কেনেষিতং পততি প্রেষিতং মনঃ কেন প্রাণঃ প্রথম: প্রৈতিযুক্তঃ । কেনেষিতাং বাচমিমাং বদন্তি চক্ষুঃশ্রোত্রং কউ দেবো যুনক্তি ॥ ১॥ কোন্ কর্ত্তাব ইচ্ছা মাত্রের দ্বারা মন নিযুক্ত হইয়া আপনার বিষয়ের প্রতি গমন করেন অর্থাৎ আপন বিষয়ের চিন্তা করেন। আর কোন্ কর্তাব আজ্ঞার দ্বারা নিযুক্ত হইযা সকল ইন্দ্রিয়ের প্রধান যে প্রাণ বায়ু তিনি আ- পন ব্যাপারে প্রবর্ত্ত হবেন। আব কাব প্রেরিত হইযা শব্দ রূপ বাক্য নিঃসরণ হবেন যে বাক্যকে লোকে কহিয়া থাকেন। আর কোন্ দীপ্তি মান কর্ত্তা চক্ষুঃ ও কর্ণকে উহাদের আপন আপন বিষয়েতে নিযোগ করেন ॥ ১॥ শিষ্য এই রূপ জিজ্ঞাসা করিলে পরে গুরু উত্তর করিতেছেন ৷ শ্রোত্রস্য শ্রোত্রং মনসেমিনোদ্বাচোহ বাচং সউ প্রাণস্য প্রাণঃ চক্ষুষ- শ্চক্ষুরতিমুচা ধীবাঃ প্রে ত্যাম্মাল্লোকাদমৃতা ভবন্তি ॥ ২॥ তুমি যাঁহার প্রশ্ন কবিতেছ তিনি শ্রোত্রের শ্রোত্র হয়েন এবং অন্তঃকরণের অন্তঃকরণ বাক্যের বাক্য প্রাণের প্রাণ চক্ষুর চক্ষু হয়েন অর্থাৎ যাঁহার অধিষ্ঠানে এই সকল ইন্দ্রিয় আপন আপন কার্য্যেতে প্রবর্ত্ত হয় তিনি ব্রহ্ম হযেন। এই হেতু শ্রোতাদির স্বতন্ত্র চৈতন্য আছে এমত জ্ঞান করিবে না এই রূপে ব্রহ্মকে