বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:রাজা সাহেব (১ম অংশ) - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়.pdf/৩৫

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
রাজা সাহেব।
৩৫

এক একখানি উৎকৃষ্ট অয়েল পেনটিং বড় বড় প্রতিকৃতি সেই দেওয়ালের আরও শোভা বৃদ্ধি করিতেছে।

 এই গৃহের মধ্যে তিন চারিজন বেশ পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন বস্ত্রাদি পরিধান করিয়া উপবিষ্ট আছেন। তাঁহাদিগকে দেখিলে বোধ হয় যে, একান্ত মনোযোগিতার সহিত তাহারা আপন আপন কার্যে নিযুক্ত আছেন।

 ভগবান দাস সেক্রেটারী বাবুর সহিত সেই গৃহের ভিতর প্রবিষ্ট হইবামাত্র উপবেশনকারী ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে এক ব্যক্তি কহিলেন, “কেও, ভগবান দাস! কখন আগমন করিলে, সমস্ত মঙ্গল ত? এই বাবুটী কে?

 উত্তরে ভগবান দাস কহিলেন, “আমরা এখনই আগমন করিতেছি। আর যে স্বাধীন রাজার কর্মচারীর কথা আমি আপনাদিগকে বলিয়াছিলাম, “ইনি সেই কর্মচারী। রাজা মহাশয়ের সহিত সমস্ত বিষয় স্থির করিবার নিমিত্ত আমি ইহাকে সঙ্গে করিয়া এইস্থানে আনিয়াছি।

 ভগবান দাসের কথা শ্রবণ করিবামাত্র পুনরায় তিনি বাবুর প্রতি লক্ষ্য করিয়া কহিলেন, “আসুন মহাশয়! এইদিকে আসুন। আপনার সহিত পরিচয় হওয়ায় অদ্য যে কি পরিমাণে সুখী হইলাম, তাহা বলিতে পারি না।” এই বলিয়া তিনি গাত্রোখান করিয়া সেক্রেটারী বাবুর হস্ত ধরিয়া আপনার বসিবার স্থানে লইয়া গেলেন, ও আপনার সন্নিকটে বসাইলেন। এই সময়ে ভগবান দাস বলিয়া দিলেন, “দাওয়ানজী মহাশয় আপনাকে যে সকল কথা জিজ্ঞাসা করেন, তাহার