পাতা:রাধারাণী-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অষ্টম পরিচ্ছেদ ২৭ রাধারাণী বলিলেন, “আপনার নগদ দুইট টাকা ও কাপড় এখনও ধরি। কাপড় পরিয়া । BBB BBBBS BB BB BBBBS BB BB BBB BB B DD S DDDS BBB BB BBBBB BB BBBS BB BBB BBB SSSSSS MMMe ee MMS এই বলিয়া রাধারাণী বহুমূল্য হীরকহার বাহির করিয়া দেবেশ্রের গলায় পরাইয়া । দিতে গেলেন। দেবেন্দ্রনারায়ণ নিষেধ করিয়া বলিলেন, “যদি ঐরুপে দেন পরিশোধ করিবে, তবে তোমার গলায় যে ছড়া আছে, তাহাই লইব ।” রাধারাণী হাসিতে হাসিতে আপনার গলার হার খুলিয়া দেবেন্দ্রনারায়ণের গলায় পরাইল। তখন দেবেন্দ্রনারায়ণ বলিলেন, “সব শোধ হইল—কিন্তু আমি একটু ঋণী রহিলাম।” রাধা। কিসে ? দে। সেই দুই পয়সার ফুলের মালার মূল্য ত ফেরত পাইলাম। তবে এখন মালা ফেরত দিতে আমি বাধ্য। রাধারাণী হাসিল । দেবেন্দ্রনারায়ণ ইচ্ছাপূর্বক মুক্তাহার পরিয়া আসিয়াছিলেন, তাহ রাধারাণীর কণ্ঠে পরাইয়া দিয়া বলিলেন, “এই ফেরত দিলাম।” এমন সময়ে পো করিয়া শাক বাজিল । রাধারাণী হাসিয়া জিজ্ঞাসা করিল, “শাক বাজাইল কে ?” র্তাহার একজন দাসী, চিত্র, উত্তর করিল, “আজ্ঞে, অমি।” রাধারাণী জিজ্ঞাসা করিল, “কেন বাজাইলি ?” চিত্রা বলিল, “কিছু পাইব বলিয়৷ ” বলা বাহুল্য যে, চিত্র পুরস্কৃত হইল । কিন্তু তাহার কথাটা মিথ্যা। রাধারাণী তাহাকে শিখাইয় পড়াইয়া দ্বারের নিকট বসাইয়া আসিয়াছিল। - তার পর দুই জনে বিরলে বসিয়া মনের কথা হইল। রাধারাণী দেবেন্দ্রনারায়ণের বিস্ময় দূর করিবার জন্য, সেই রথের দিনের সাক্ষাতের পর যাহা যাহা ঘটিয়াছিল, তাহার পিতামহের বিষয়সম্পত্তির কথা, পিতামহের উইল লইয়া মোকদ্দমার কথা, তজ্জন্ত রাধারাণীর মার দৈন্তের কথা, মার মৃত্যুর কথা, কামাখ্যা বাবুর আশ্রয়ের কথা, প্রিবি কেন্সিলের ডিক্রীর কথা, কামাখ্যা বাবুর মৃত্যুর কথা, সব বলিল । বসন্তের কথা বলিল, আপনার বিজ্ঞাপনের কথা বলিল। কাদিতে কাদিতে, হাসিতে হাসিতে, বৃষ্টি বিদ্যুতে, চাতকী