পাতা:রাধারাণী-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- - *-- बिउँौग्न थ७३ नखम नझेिरव्झर्ने কিছু মূর গিয়া আর আমি চলিতে পারিলাম না। পথিক লোকে আমাকে ধরিয়া আমার কুটুম্বের বাড়ীতে রাখিয়া আসিল । সেই স্থানে আমি কিছু কাল শয্যাগত রহিলাম--অস্ক আশ্রয়াভাবেও বটে, এবং আমার দশা কি হয়, তাহ না জানিয়া কোথাও যাইতে পারে না, সে জন্যও বটে, অন্ধ যুৱতীও সেইখানে রহিল । বহু দিনে, বহু কষ্টে, আমি আরোগ্যলাভ করিলাম। মেয়েটি অন্ধ দেখিয় অবধিই আমার সন্দেহ হইয়াছিল। যে দিন প্রথম আমার বাকৃশক্তি হইল, সে আমার রুগ্নশয্যাপার্থে আসিল, সেই দিনই তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলাম, “তোমার নাম কি গ৷ ” - “রজনী।” আমি চমকিয়া উঠিলাম। জিজ্ঞাসা করিলাম, “তুমি রাজচন্দ্র দাসের কথা ?” রজনীও বিস্মিতা হইল। বলিল, “আপনি বাবাকে কি চেনেন ?” আমি স্পষ্টতঃ কোন উত্তর দিলাম না। আমি সম্পূর্ণরূপে আরোগ্যলাভ করিলে, রজনীকে কলিকাতায় লইয়া গেলাম। সপ্তম পরিচ্ছেদ কলিকাতায় গমনকালে আমি এক রজনীকে সঙ্গে করিয়া লইয়া গেলাম না। কুটুম্বগুহ হইতে তিনকড়ি নামে একজন প্রাচীন পরিচারিকা সমভিব্যাহারে লইয়া গেলাম। এ সতর্কত। রজনীর মন প্রসন্ন করিবার জন্ত । গমনকালে রজনীকে জিজ্ঞাসা করিলাম, “রজনী—তোমাদের বাড়ী কলিকাতায়—কিন্তু তুমি এখানে আসিলে কি প্রকারে ?” রজনী বলিল, “আমাকে কি সকল কথা বলিতে হইবে ?” আমি বলিলাম, “তোমার যদি ইচ্ছ না হয়, তবে বলিও না।” বস্তুতঃ এই অন্ধ স্ত্রীলোকের বুদ্ধি, বিবেচন, এবং সরলতায় আমি বিশেষ প্রীত হইয়াছিলাম। তাহাকে কোন প্রকার ক্লেশ দিবার আমার ইচ্ছা ছিল না। রজনী বলিল, “যদি অনুমতি করিলেন, তবে কতক কথা গোপন রাখিব। গোপালবাবু বলিয়া আমার একজন প্রতিবাসী আছেন। উাহার স্ত্রী চাপা। চাপার সঙ্গে আমার হঠাৎ পরিচয় হইয়াছিল। তাহার বাপের বাড়ী হুগলী । সে আমাকে বলিল, আমার বাপের বাড়ী