এর মধ্যে যে গলদ কিছুই নেই তা বলিনে—গুরুতর গলদ আছে। সেজন্যে একদিন এদের বিপদ ঘটবে। সংক্ষেপে সে গলদ হ’চ্চে শিক্ষাবিধি দিয়ে এরা ছাঁচ বানিয়েচে—কিন্তু ছাঁচে-ঢালা মনুষ্যত্ব কখনো টেঁকে না—সজীব মনের তত্ত্বর সঙ্গে বিদ্যার তত্ত্ব যদি না মেলে তাহ’লে হয় একদিন ছাঁচ হবে ফেটে চূরমার, নয়, মানুষের মন যাবে ম’রে আড়ষ্ট হ’য়ে, কিম্বা কলের পুতুল হ’য়ে দাঁড়াবে।
এখানকার ছেলেদের মধো বিভাগ ক’রে কর্ম্মের ভার দেওয়া হ’য়েচে দেখ্লুম, ওদের আবাসের ব্যবস্থা সম্বন্ধে একদল স্বাস্থ্য, একদল ভাণ্ডার ইত্যাদি নান। রকম তদারকের দাযিত্ব নেয়, কর্তৃত্ব সবই ওদের হাতে, কেবল একজন পরিদর্শক থাকে। শান্তিনিকেতনে আমি চিরকাল এই সমস্ত নিয়ম প্রবর্ত্তন ক’র্তে চেষ্টা ক’রেচি—কেবলি নিয়মাবলী রচনা হ’য়েচে, কোনো কাজ হয়নি। তা’র অন্যতম কারণ হ’চ্চে, স্বভাবতই পাঠবিভাগের চরম লক্ষ্য হ’য়েচে পরীক্ষায় পাস করা, আর সব-কিছুই উপলক্ষ্য; অর্থাৎ হ’লে ভালোই, না হ’লেও ক্ষতি নেই—আমাদের অলস মন জবরদস্ত দায়িত্বের বাইরে কাজ বাড়াতে অনিচ্ছুক। তা ছাড়া