বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:রূপলহরী - পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৭৮

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

ܬܼܲܪܫܵܝ-ܨܕܗ ck 2०!-ठूलश्तूो গৰ্ভ হইয়াছে, আর আমি থাকিব না, আমি বাদী হইতে পারিব ন’, আমার বাসুচ্ছাকে বার্দীর বাচ্ছা করিতে পারিব না । বাবু ( 'ळ्' | কান্তিচন্দ্ৰ - সে কি দোপাটি ! তা হবে না, আমি তোমার নিকট অনেক অপরাধে অপরাধী, আমার সে সকল অপরাধ মার্জনা কর, অামার কাছে থাকে, আমি তোমায় ঈশ্বরী করিয়া রাখিব ! আমিই তোমার গোলাম হইয়া আছি, তুমি আমার গোলাম হইবে কেন ? আমার মাথা খাও, তুমি যাই ও না । বাহিরে ও যেমন অন্ধকার, ভিতরেও আমার তেমনি অন্ধকার, কেপল তুমিই সে অাঁধারে চাদের আলো ;-তুমি যাইও না । তুমি চক্ষের আড়াল হইলে যে মরিব ! অনতিদূরে অন্ধকার ভেদ করিয়া উত্তর আসিল, “তুমি মরিবে না, পাগল হইবে, তুমি মরিবে না, পাগল হইবে ; আমি চলিলাম।” উদভ্ৰান্ত উন্মত্ত কান্তিচন্ত্ৰি “কোথায় যাও” বলিয়া উৰ্দ্ধশ্বাসে চীৎকার করিয়া উঠিলেন, আর সেই কণ্ঠশিব্দের দিক লক্ষা করিয়া ছুটয়া চলিলেন। সেই সূচিভেদ্য অন্ধকারকে গাঢ় করিয়া, বারবার মুষলধারে শ্রাবণের মেঘের অশ্রান্ত বর্ষণ হইতে, লাগিল ; অগণিত ভেকতুকুল অজস্র বর্ষাবারিপানে উল্লসিত হইয়া চারিদিকৃ হইতে যেন বিকট হাস্যের শব্দ করিতে লাগিল ; আর সেই শব্দ:রাশির সহিত কান্তি চন্দ্রের স্থার্তস্বর অতীতের অনন্তে মিশাইয়া গেল । ፵ ( ১৩ ) প্রভাত হইয়াছে, বর্ষাকালের প্রভাত । এ প্রভাতের কোন