বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:লক্ষ্মী - ভূপেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী (১৯২০).pdf/৬৬

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
লক্ষ্মী

তোমার একখানি পত্র পাইব। এবং তাহাতেই জানিব তুমি দয়া করিয়া আমাকে দু একটি ভার লইতে বলিয়াছ এমন শ্রীষ্টীছাড়া আশাকে মনের মধ্যে স্থান দিয়া আমি যে কত বড় ভুল করিয়াছিলাম তাহা এখন বেশ বুঝিতেছি। যাহা হউক আশা করিয়াও তোমার কাছে যে ভার পাইলাম না পিসিমা কিন্তু তাহাই গ্রহন করিবার জন্য আমাকে অনেক করিয়া বলিয়াছেন। তাঁহার উপর রাগ করিও না। খতি হইবার ভয় নাই আর একটা কথা বলি। কলিকাতায় বসিয়া তোমার পাসের পর পাস দেওয়ার কি শেষ হইবে না। না হৌক পড়িতে তোমায় মানা করি না আর তাহা করিবারিবা আমার অধিকার কি। কিন্তু মাঝে মাঝে বাড়ী আসিয়া চোখের দেখা দিতেও কি পার না। পুরুষ মানুষ এমনিই বটে সব বুঝিয়াও যে না বোঝার ভান করে তাহাকে তো বোঝান যায় না বোঝাইবার চেষ্টাও তাই করি না।

 পিসিমা বলিয়াছেন অনেকদিন হইল পত্র কেন দাও নাই। আরো বলিয়াছেন যত শিঘ্র পার একবার বাড়ী আসিবে তিনি ও আমি ভাল আছি। তুমি কেমন আছ লিখিবে। পিসিমা লক্ষ্মী ঠাকুরঝির কথাও লিখিতে বলিয়াছেন সে মাঝে মাঝে এ বাড়ী আসিয়া দেখা করিয়া যায়। অধিক আর কি লিখিব আমার প্রণাম জানিও নিবেদন ইতি—

তোমার শ্রীচরণের দাসি 
অমিয়া সুন্দরী।

৬৪