বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/১১৪

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

চতুর্দ্দশ পরিচ্ছেদ।

সাম্যনীতি।

 বরাহভূমের অবস্থা দৃষ্টে স্থানীয় রাজপুরুষগণ বিশেষ চিন্তান্বিত হইয়া পড়িলেন। গঙ্গাগোবিন্দ ও মাধোসিংহের বিরোধ এবং লালসিংহ প্রভৃতি সর্দ্দারগণের অনুসৃত পন্থা সম্পূর্ণভাবে নিরাকৃত করিয়া রাজ্যে স্থায়ীভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করিবার জন্য জেলার কালেক্টর ও মাজিষ্ট্রেট উভয়েই নিরতিশয় ব্যগ্র হইয়া উঠিলেন। এই ব্যপার সম্বন্ধে কালেক্টার সাহেব রেভিনিউবোর্ডকে এবং ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেব গভর্ণমেণ্টে পত্র লিখিলেন। ম্যাজিষ্ট্রেট ষ্ট্রাচি সহেেব শান্তিরক্ষার জন্য যে সকল প্রস্তাব করিয়া পাঠাইয়াছিলেন, আমরা অতঃপর সেই সকল বিবরণ বিবৃত করিব।

 বরাহভূম পরগণার জমীদারী সম্বন্ধে গঙ্গাগোবিন্দ ও মাধোসিংহ দুই ভ্রাতার দাবির বিষয় অনুসন্ধান করিয়া, ম্যাজিষ্ট্রেট ও কলেক্টার সাহেব অবিলম্বে জ্যেষ্ঠ গঙ্গাগোবিন্দ সিংহকে জমীদারী অর্পণ করিবার জন্য গভর্ণমেণ্টে অনুরোধ করিয়া পাঠাইলেন; এবং তাঁহাদের অনুরোধ রক্ষা করিরা গভর্ণমেণ্ট জ্যেষ্ঠ গঙ্গাগোবিন্দ সিংহকে জমীদারী অর্পন করিলেন। তদনুসারে জ্যেষ্ঠ গঙ্গাগোবিন্দ রাজা-আখ্যার বরাহভূমের গদিতে আরোহণ করিয়াছিলেন। তদনন্তর উভয় ভ্রাতার মধ্যে রাজ্যাধিকার লইয়া দেওয়ানী মোকদ্দমা হইয়াছিল। সদর দেওয়ানী আদালতের বিচারে জ্যেষ্ঠ