প্রতিভা ইত্যাদি সম্বন্ধে তাহাদের কোনই জ্ঞান ছিল না। এ প্রকার অবস্থায় ইংরাজ -শক্তির নব অভ্যুদয়ে লালসিংহ ও তাঁহার চোয়াড়গণের জাতীয় প্রথাসম্মত বীরত্ব প্রদর্শনের অবসর লোপ পাইলে, সেই শক্তি ভস্মাচ্ছাদিত বহ্নির ন্যায় এক ফুৎকারে জ্বলিয়া উঠিয়া রাজ্যের বিবিধ অনঙ্গল উৎপাদন করিতে পারিত। সমুদ্রমুখাভিগামী নদীপ্রবাহের গতি রুদ্ধ করিবার চেষ্টা করিলে নদী ঐ অবরোধ ভাসাইয়া দিয়া চলিয়া যায়, অথবা ঐ অবরোধের তলভেদ করিয়া গন্তব্যপথে গমন করিয়া থাকে। সেইরূপে সর্দ্দারগণের চিরন্তন প্রভুতা রোধ করিবার চেষ্টা করিলে ঐ শক্তি প্রতিরুদ্ধ না হইয়া রাজ্যের অনিষ্ট সাধনে রত হইতে পারিত। সেই জন্য তীক্ষ্ণদৃষ্টি নীতিজ্ঞ রাজপুরুষ ষ্ট্রাচি সাহেব ঐ শক্তিকে কার্য্যান্তরে ব্যাপৃত করিয়া তাহাকে রাজ্যের কল্যাণ সাধনে নিয়োজিত করিবার ইচ্ছা করিয়া লাটদরবারে জানাইলেন,—
“Necessity alone compells me to propose a measure which I am of opinion will contribute to the preservation of lives, and possibly put an end to the distraction of the country. I mean the granting pardon or exempting from prosecution the Sirder Pikes of Burrabhum prevailing upon them to come to a settlement with the Zemindar and engaging them to defend the lands which they have so long been employed in desolating.”
অর্থাৎ “স্থানীয় প্রয়োজন দৃষ্টে বাধ্য হইয়া আমাকে এই বিষয়ের প্রস্তাব করিতে হইতেছে। আমি বিশ্বাস করি এই