কিন্তু গ্রাম বা পরিবারস্থ ব্যক্তিগণ মুণ্ডাকে আপনাদের ভূম্যধিকারী বলিয়া স্বীকার করে না।
ভূমিজ পরিবারের মৃত যাবতীয় ব্যক্তি একই শ্মশানে সমাহিত হয়। ভূমিজগণ মৃতদেহের অগ্নি সৎকার সম্পন্ন করিয়া দাহনান্তে অস্থি সঞ্চয় করিয়া থাকে। সময়ক্রমে মহা সমারোহে ঐ অস্থি পারিবারিক শ্মশান বা অস্থিশালাতে প্রোথিত করিয়া দিয়া তদুপরি এক প্রকাণ্ড প্রস্তরখণ্ড চাপাইয়া দেয়। যে যে গ্রামে মুণ্ডাগণের আদিম উপনিবেশ ছিল সেই সেই গ্রামে উপরোক্ত প্রকার অস্থিশালা বিদ্যমান আছে। ঐ অস্থিশালাতে যে যে ভূমিজ পরিবারের অস্থি সমাহিত হইবার অধিকার আছে, তদ্দৃষ্টে আদি মুণ্ডার বংশধরগণকে অনায়াসে জানিতে পারা যায়।
ভূমিজগণ যে ভাবে জীবনযাপন করিত, তাহার ফলে বাল্যকাল হইতে তাহাদিগকে যুদ্ধবিদ্যা ও মৃগয়া কৌশল শিক্ষা করিতে হইত। সেইজন্য প্রাচীনকালে ভূমিজগণ নিরতিশয় দ্বন্দ্বপ্রিয়, যুদ্ধবিশারদ ও মৃগয়াশীল হইয়া উঠিয়াছিল।সুবিধানুসারে নিকটবর্ত্তী পররাজ্য লুণ্ঠন করিয়া তাহারা বিশেষ প্রীতি ও গৌরব উপভোগ করিত। তীরচালনায় তাহাদের সবিশেষ কৃতিত্ব ছিল। ভূমিজ রমণীগণ সাধ্যানুসারে উপরোক্ত যাবতীয় কার্য্যে স্বামীর সাহায্য করিতে ত্রুটি করিত না। ভূমিজগণের আচরিত নিম্নোক্ত একটি প্রথা হইতে তাহাদের তৎকালীন জীবনের বিশদরূপ আভাস পাওয়া যায়।
বিবাহের পরদিন ভূমিজগণ অদ্যাপি একটি আচার পালন করিয়া থাকে। সেই দিনে বর-কন্যা মহা সমারোহে স্বজাতীয়