সর্দ্দারগণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সমবেত হইয়া ঔপনিবেশিকগণের প্রধান শাখা বা খুঁটের প্রতিনিধিকে রাজপদে বরণ করিয়াছিল। তদনুসারে বরাহভূমের রাজত্ব সৃষ্ট হয়। সর্দ্দারগণ প্রভুত্ব স্বীকারের নিদর্শন স্বরূপ রাজাকে যৎসামান্য কর প্রদান করিতেন। পরন্তু, প্রয়োজনানুসারে তাঁহাদিগকে রাজার নেতৃত্বে যুদ্ধে অভিযান করিতে হইত। নিজ নিজ তরফের আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে সর্দারগণ সর্ব্বতোভাবে প্রভু ছিলেন। রাজা সর্দ্দারগণের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করিলে তাঁহারা রাজার বিরুদ্ধেও যুদ্ধঘোষণা করিতে কুণ্ঠিত হইতেন না। ক্রমশঃ রাজ। হিন্দুধর্ম্ম অবলম্বন করিয়া ক্ষত্রিয় বলিয়া আত্মপরিচয় দিতে আরম্ভ করিলেন। সম্ভবতঃ সেই সময় হইতে রাজপরিবারের উৎপত্তি সম্বন্ধে বিবিধ অলৌকিক কাহিনী রচিত হইতে আরম্ভ হইল।
কালক্রমে ভূমিজগণের আর যুদ্ধ করিবার প্রয়োজন হয় না। এক্ষণে তাহারা ঘাটোয়াল উপাধি প্রাপ্ত হইয়। দেশের শান্তি-সংরক্ষণে নিযুক্ত আছে। তরফসর্দ্দারগণও জাতীয় প্রভুতা হারাইয়া দেশের শান্তিরক্ষণে ব্রতী হইয়াছে। এই প্রাচীন সর্দ্দার-পরিবারগণের সম্বন্ধে স্যর উইলিয়ম হাণ্টার বলেন,"In the fiscal division of Barabhum, four tennres containing about 20 villages a piece, are held by Sarder Ghatwals or Chief guardians of the passes. These tenures are of great antiquity; and in two of these, Satarakhani and Dhadka, the Sarder Ghatwals were semi-independent chiefs, owing to the Raja of Barrabhum a nominal allegiance, which