| ত্রিভন্ সিংহ ভুঞা | |||||||||||||||||||
| (তৎপুত্ত্র) | |||||||||||||||||||
| লাল সিংহ ভুঞা | |||||||||||||||||||
| (তৎপুত্ত্র) | |||||||||||||||||||
| পঞ্চানন সিংহ ভুঞা | |||||||||||||||||||
| (তৎপুত্ত্র) | |||||||||||||||||||
| ভরত সিংহ ভুঞা | |||||||||||||||||||
| (মর্দ্দরাজ) (তৎকন্যা) | |||||||||||||||||||
| চিন্তামনি দেবী | |||||||||||||||||||
মানভূম জেলার অন্তর্গত বেগুনকোদর প্রাচীন রাজবংশের রাজা দিগম্বর সিংহের পুত্র কোঙর (কুমার) জঙ্গরাম সিংহের সহিত চিন্তামনি দেবীর বিবাহ হইয়াছিল। কোঙর জঙ্গরাম ও চিন্তামনি দেবীর তিন পুত্র জন্মে; তন্মধ্যে জ্যেষ্ঠ বাবু মনমোহন সিংহ, মধ্যম বাবু ভিক্ষাম্বর সিংহ, ও কনিষ্ঠ বাবু বৃন্দাবন সিংহ। সতেরখানি পরিবারের চিরন্তন জ্যেষ্ঠাধিকার প্রথানুসারে শ্রীযুক্ত বাবু মনমোহন সিংহ সতেরখানি তরফের বর্ত্তমান জমিদার হইতেছেন।
লালসিংহের পূর্ব্বপুরুষগণ তরফ সতেরখানির অন্তর্গত বাটালুকা গ্রামে বাস করিতেন। বাটালুকা গ্রামের উত্তরে খাঁড়িপাহাড়ি নামক অত্যুচ্চ পর্বতশ্রেণী এবং উক্ত গ্রামের দক্ষিণে কাঁটারঞ্জানামক শৈলমালা বহুদূর পর্য্যন্ত বিস্তৃত আছে। এই উভয় শৈলশ্রেণীর মধ্যবর্তী উপত্যকায় বাটালুকা গ্রামের অধিকাংশ স্থল অদ্যাপি বিশাল শাল জঙ্গলে সমাকীর্ণ। এই পর্ব্বতনালারক্ষিত জঙ্গলের মধ্যস্থলে বাটালুকা একটি ক্ষুদ্র