পিঞ্জরাবদ্ধ ব্যাঘ্র দেখিয়া আসিলে, রাত্রিতে নিদ্রাবেশে ‘বাঘের স্বপ্ন’ দেখিয়া ভয়ে বিহ্বল হয়। আর এই সকল আরণ্যপ্রদেশে রাখালবালকগণ দলবদ্ধ হইয়া তীর হস্তে শব্দ লক্ষ্য করিয়া ব্যাঘ্রের অন্বেষণ করিয়া থাকে। এতদ্দেশীয় মুণ্ডা জাতির অপর শাখা হোবংশীয় বালকগণের বাল্যশিক্ষা, ধনুর্ব্বিদ্যা-নৈপুণ্য এবং বয়স্কব্যক্তিগণের আচরিত ক্রীড়া ব্যায়ামাদি সম্বন্ধে মি: ডাল্টন বলেন,—
“Hos are fair marksmen with the bow and arrow, and great sportsmen. From childhood they practise archory. Every lad tending cattle or watching crops makes this his sole pastime, and skill is attained even in knocking over small birds with blunt arrows.”
Dalton, p. 195.
অর্থাৎ “হো জাতীয় মুণ্ডাগণ তীর-ধনুক দ্বারা সুন্দর লক্ষ্যভেদে সমর্থ, এবং তাহারা সুনিপুণ শিকারী। বাল্যকাল হইতে তাহারা তীরচালনা শিক্ষা করে। প্রত্যেক বালক গরু চরাইবার কি শস্যরক্ষা করিবার সময় তীর-ধনুক লইয়া বাহির হয়, এবং অবসরকাল তীর চালনায় অতিবাহিত করে। ইহাই তাহাদের প্রধান ক্রীড়া। তাহারা ফলক-বর্জ্জিত তীর দ্বারা পক্ষী স্বীকার করিয়া থাকে।” হোগণের সহিত ভূমিজগণের ক্রীড়া, ব্যায়াম ও তীরচালনা-নৈপুণ্য সম্বন্ধে কোন পার্থক্য নাই। হোদিগের সম্বন্ধে সাহেবের সিদ্ধান্ত ভূমিজগণের সন্বন্ধেও সমানভাবে প্রযোজ্য।
লালসিংহ বাল্যকালে এই সকল কৃষকবালকগণের সহিত পর্ব্বত ও অরণ্যে বিচরণ করিতেন। ধনুর্ব্বিদ্যা ও বীরোচিত