সর্দ্দারগণের অধীনে অপেক্ষাকৃত অল্পসংখ্যক নির্দিষ্ট বেতনভোগী সৈন্য থাকিত। তদ্ব্যতীত তিন শ্রেণীর সৈন্য এই সর্দ্দারগণের প্রধান আশ্রয় ছিল। সর্দ্দারের অধীনস্থ প্রকৃতিপুঞ্জ শেষোক্ত তিন শ্রেণীর সৈন্য সরবরাহ করিত। ঐ তিন শ্রেণীর সৈন্যগণের বংশধরগণ বর্ত্তমান সময়ে যথাক্রমে সদিয়াল গ্রাম্যসর্দ্দার ও তাঁবেদার আখ্যায় কথিত হইয়া থাকে। এক্ষণে উক্ত ব্যক্তিগণের জাতীয় প্রভুতা নষ্ট হইয়াছে। বিশেষতঃ সুসভ্য ইংরাজ শাসন দেশে বদ্ধমূল হওয়ায় তাহাদিগকে আর সর্দ্দারের অধীনে যুদ্ধযাত্রা করিতে হয় না। তাহারা নির্দিষ্ট পঞ্চককর আদায় দিয়া এবং আবশ্যক অনুসারে সরকার বাহাদুরের অধীনে পুলিশের চাকরী করিয়া আপনাদের পূর্ব্বপুরুষার্জিত ভূমিসম্পত্তি ভোগ করিয়া থাকে। মহামান্য রিজ্লি সাহেব সর্দ্দারগণকে লক্ষ্য করিয়া বলিয়াছেন যে,—
The latter (Sirdirs) I think, are merely overgrown mankis who have lost their tribal status and with it their hold over their subordinates.
অর্থাৎ “সর্দ্দারগণ লোহারডাগা অঞ্চলের মানকি উপাধিধারী প্রভুতাশালী ভূস্বামীগণের ন্যায় পদস্থ ব্যক্তি। বর্ত্তমান সময়ে তাহারা আপনাদের জাতীয় প্রভুতা চ্যুত হইয়া তাহাদের অধীনস্থ ব্যক্তিগণের উপর কত্তৃত্ব হারাইয়াছে।”
and it was sometimes to oppose the Government in a policy that they did not approve, though they may have had very little personal interest in the matter. Dalton, p 174.