applied to their Mundas, the whole business being settled by public decision.”
অর্থাৎ “তরফসর্দ্দার অধীনস্থ ব্যক্তিগণের নিকট যে কর পাইতেন তাহা এবং তাঁহার নিজের দখলী জায়গার আয় বিবেচনা করিয়া, যদি তাঁহার অধিক অর্থের প্রয়োজন হইত, তাহা হইলে তিনি মান্কিদিগকে এবং মান্কিগণ মুণ্ডাদিগকে অধিক কর দিবার জন্য জানাইতেন। এবং এই সকল যাবতীয় কার্য সাধারণের বিচার দ্বারা সমাহিত হইত।”
সম্ভবতঃ সর্দ্দারগণ যুদ্ধে যে সকল সম্পত্তি লুণ্ঠন করিতেন, তাহাও উপরোক্ত নিয়মে জাতীয় ব্যক্তিগণের মধ্যে বিভক্ত হইত। মুক্তাগণের এই প্রকার জাতীয় প্রথা তাহাদিগকে অজেয় করিয়া তুলিয়াছিল। তরফের প্রত্যেক অধিবাসী বিশেষভাবে অবগত ছিল, যে সে রাজ্যের একটি আবশ্যকীয় অংশ। রাজ্যের উন্নতি অবনতিতে তাহাদের ব্যক্তিগত লাভ-লোকসান ছিল। বীরত্বাভিমান তাহাদের প্রকৃতির একাংশ ছিল। রাজ্যের গৌরবে তাহারা আপনাদিগকে গৌরবান্বিত মনে করিত। চোয়াড়গণের বীরত্বাভিমান ও তাহাদের আত্মগৌরব রাজ্যসংক্রান্ত যাবতীয় কার্য্য নির্ব্বাহ জন্য তাহাদিগকে স্বেচ্ছায় প্রাণোদিত করিত। সতেরখানির সর্দ্দারগণ সকলেই বলশালী ও বীর প্রকৃতি; এবং তাঁহারা বিবিধ যুদ্ধে সতেরখানির মুখ উজ্জ্বল করিয়াছিলেন। সুতরাং প্রকৃতিপুঞ্জ ও সন্তোষসহকারে সর্দ্দারের অধীনে যুদ্ধযাত্রা করিত। লালসিংহের ন্যায় বীরপ্রকৃতি ও প্রতিভাশালী সদ্দারের গৌরবে মুণ্ডাবংশীয় প্রকৃতিপুঞ্জ আপনাদিগকে গৌরবান্বিত মনে করিত, সুতরাং তাহারা যথাসাধ্য সর্দ্দারের পৃষ্ঠপোষকস্বরূপে কার্য্য