রাজধানী আক্রমণ ও লুণ্ঠন করিয়া অত্যাচারের একশেষ করিয়াছিলেন। রাজ্যে দুই রাজপুত্রের মধ্যে রাজ্যাধিকার লইয়া বিবাদ উপস্থিত হইলে, সরকার বাহাদুর কর্ত্তৃক বংশী মাইতি নামক জনৈক ব্যক্তি সরবরাহকার বা ম্যানেজার নিযুক্ত হইয়াছিলেন। লালসিংহ ১৭৯৮ খৃষ্টাব্দের শেষ ভাগে ৬০০।৭০০ চোয়াড় সৈন্য লইয়া বরাহবাজার আক্রমণ করেন, এবং বরাহবাজারের প্রজাগণের যথাসর্ব্বস্ব লুণ্ঠন করিয়া অবাধে নিজ রাজ্যে প্রত্যাবর্ত্তন করিয়াছিলেন। এই সময়ে লালসিংহের শক্তি প্রতিরোধ করিবার জন্য সরকার পক্ষ হইতে দুইশত সিপাহী বরাহবাজারে রক্ষিত হইয়াছিল। লালসিংহ ঐ সিপাহীগণের মধ্যে একশত সিপাহীকে প্রলোভন দ্বারা নিজের দলভুক্ত করিয়া লইয়া নিজ রাজ্যে প্রত্যাবর্ত্তন করিলেন। লালসিংহের এই প্রকার উপদ্রব ও বরাহবাজার লুণ্ঠন সম্বন্ধে মিঃ ষ্ট্রাচি ও মেদিনীপুরের কালেক্টার মিঃ ইরাষ্ট্, যাহা লিখিয়াছেন, নিম্নে তাহা অবিকল উদ্ধৃত হইল।
মিঃ ষ্ট্রাচি লিখিয়াছেন:—
“Lalsing with what avowed object I can not discover, had in conjunction with other Sarders plundered the greater part of the town, or rather village, (since there is not a single brick house in the whole Zemindari) and prevailed on 100 pikes of the place to join him and take up their residence at Sarree.”
অর্থাৎ “লালসিংহ, কি উদ্দেশ্যে আমি বুঝিতে পারি না, অন্য সর্দ্দারগণের সহিত মিলিত হইয়া বরাহবাজার সহর বা গ্রামের