“Bibek Narain, who had long been in arms against Government, having been obliged to give up his Zemindary in the year “1182", Raghonath Narain, the late Zemindar * * was with his concurrence acknowledged as his successor,”
অর্থাৎ “বিবেকনারায়ণ সুদীর্ঘকাল ধরিয়া ইংরাজ সরকারের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করায় ইংরাজ সরকার বাঙ্গালা ১১৮২ সালে তাঁহাকে জমীদারী ত্যাগ করিতে বাধ্য করিয়াছিলেন। তাঁহার সম্মতিক্রমে মৃত জমীদার রঘুনাথনারায়ণ তাঁহার হলে রাজ্যাভিষিক্ত হইয়াছিলেন।”
রঘুনাথনারায়ণ রাজা বিবেকনারায়ণের দ্বিতীয়া পত্নীর গর্ভজাত সন্তান ছিলেন। তাঁহার প্রথমা পত্নীর লছমন্ নামে আর এক পুত্র ছিলেন। লছমন রঘুনাথ অপেক্ষা বয়োকনিষ্ঠ ছিলেন। বরাহবাজার রাজবংশের কেহ কেহ অ্যাপি বিশ্বাস করেন যে, প্রধানারাণীর গর্ভজাত সন্তান বয়োকনিষ্ঠ হইলেও রাজ্যের অধিকারী। লেখক বরাহভূম ও নিকটবর্ত্তী স্থানের কোন কোন লোককে বলিতে শুনিয়াছেন যে রঘুনাথ রাজ্যের প্রকৃত অধিকারী ছিলেন না। রাজা বিবেকনারায়ণ যখন যুদ্ধে পরাস্ত হইয়া ইংরাজের নিকট আত্মসমর্পণ করিতে বাধ্য হইয়াছিলেন, তখন তিনি আপনার ন্যায্য উত্তরাধিকারী লছমনসিংহকে ইংরাজের দরবারে আসিতে দেন নাই। পাছে ইংরাজ সরকার তাঁহার প্রতি বিরাগ বশতঃ রাজ্যের ন্যায্য অধিকারীর কোন অনিষ্ট সাধন করেন. এই ভয়ে বিবেকনারায়ণ লছমন সিংহকে অন্যত্র লুক্কায়িত রাখিয়া অন্যপুত্র রঘুনাথকে ইংরাজদরবারে উপস্থিত