পা ঠ ক গো ষ্ঠী র আ লো চ না
গল্পগুলির মোটামুটি বিচার, পরিচয়ে দশজনের সামনে ধরেছেন―দশজনেও যাতে আলোচনা করেন। এটা সাহিত্যিক সৎপ্রচেষ্টা।
বিষ্ণুবাবুর মার্ক্সিস্ট দৃষ্টি বিকৃত না হলে নীহারবাবুর প্রবন্ধের মূল ত্রুটি তাঁর চোখে উল্টো প্রতিভাত হতো না, সমালোচনাটির দক্ষিণঘেঁষা দুর্বলতাকে ট্রট্স্কিমার্কা প্রতিক্রিয়াশীলতা বলে ভুল করতেন না। আমাদের সকল প্রগতিপন্থী সাহিত্য সৃষ্টি ও সমালোচনা প্রচেষ্টার মধ্যে এই বামপন্থী বৈধর্মের পরিচয়, নিজ শ্রেণী-মূল-গত মোহ ও ভ্রান্তির নাগপাশ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হবার অক্ষমতার প্রমাণ, কমবেশি আছে—কিন্তু সেটা কোনমতেই উগ্র বামত্বের ট্রট্স্কিমার্কা প্রতিক্রিয়াশীলতা হয়ে উঠতে পারে না। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ও অচিন্ত্যকুমার প্রসঙ্গে নীহারবাবু শিককাবাব ও সন্দেশে গুলিয়ে ফেলেননি। তিনি যে মূল কথাটা ধরতে পারেননি তা হলো এই যে, মানিক বা অচিন্ত্য একজনও ভালো শিককাবাব বা সন্দেশ বানাচ্ছেন না। নীহারবাবুর মার্ক্সিস্ট দৃষ্টিভঙ্গি কাঁচা বলেই ‘গায়েন’ ও ‘মুচিবায়েন’-এর তুলনামূলক পার্থক্যটাই তাঁর কাছে বড় হয়ে উঠেছে, আজকের দিনের জীবনের গতির সঙ্গে বাস্তব ও সত্যধর্মী সামঞ্জস্য রাখার যে প্রগতিশীল ‘সৎপ্রচেষ্টা’টুকু ‘গায়েন’ গল্পে তাঁর চোখে পড়েছে তাতেই তিনি মুগ্ধ হয়েছেন। সেই পুরাতন ফাঁকি রসসৃষ্টির খাতিরে, ‘মুচিবায়েন’-এ আজকের দিনের চাষাভুষো, সবার জীবনের
১০৫