বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:শঙ্করদেব - উমেশচন্দ্র দেব (১৯২০).pdf/৩৬

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

শঙ্করদেব ৩১ সাধু মহান্তের স্থাপিত।” শঙ্করদের পুনরায় জিজ্ঞাসা করিলেন, “সাধু কাহাকে বলেন ?” এবার ব্রাহ্মণের স্পষ্টই বলিয়া ফেলিলেন, – জানা যিতো জনে হরি ভকতি করয়। তা সম্বাকে সাধু বুলি বিদ্ৰ সবে কয় ৷ “তবে আর হরিভক্তদের বিদ্বেষ করেন কেন ?” শঙ্করদেবের এই কথায় উপস্থিত ব্রাহ্মণেরা প্রকৃতই লজ্জাবোধ করিলেন। তখন শঙ্করদেব উচ্চ করি সমজ্যাত হরি বোলাইলন্ত । সভা বিসর্জিয়া পাছে গৃহক গৈলন্ত ৷ সেই দিন ব্রাহ্মণেরা হরিনাম লইলেন বটে, কিন্তু তাহা মৌখিক। ব্ৰাহ্মণ- দিগের মধ্যে বিশুদ্ধ কৃষ্ণভক্তি কি প্রকারে সঞ্চারিত হয়, শঙ্করদেব তাহাই ভাবিতে লাগিলেন । গীতা ও ভাগবতাদির চর্চা করিলে দৃঢ় কৃষ্ণভক্তির সঞ্চার হইতে পারে, এই ভাবিয়া শঙ্করদেব এক দিবস ব্রহ্মানন্দ ভট্টাচাৰ্য্যকে কহিলেন, “শুভ মাঘ মাস উপস্থিত, আপনি পরম পণ্ডিত ; আমাদের একান্ত ইচ্ছা, আপনার মুখে গীতা শ্রবণ করি।” ব্রহ্মানন্দ গীতা পাঠ করিতে সম্মত হইলেন ৷ তখন শঙ্করদেব উপস্থিত ভক্তদিগকে কহিলেন, “ইনি গীতাশাস্ত্র পাঠ করিবেন, ইঁহাকে কিছু অর্থ দান করা উচিত।” তখন ভক্তগণ সকলেই কিছু কিছু অর্থ দান করিলেন। অনেক অর্থ সঞ্চিত হইল । দক্ষিণ হস্তক পাতিলন্ত ব্রহ্মানন্দে । f [ ¢ দিবাক লাগিল বিত্ত মনত আনন্দে ৷৷ কতো এক তোলা কতো তিনি মহাবিত্ত ৷ অৰ্দ্ধ তোলা তুচ্ছ নুহি দেত্ত রঙ্গ চিত্ত | তেখেনে পাইলেক বিগ্রে বিত্ত এক পোষ। বিত্ত পাই চিত্ত করে উল্লাস মল্লিস ৷৷ অনেক দক্ষিণাও পাইলেন । ব্রহ্মানন্দ যথাসময়ে গীতা পাঠ করিলেন । শঙ্করদেব তখন কহিলেন “গুরো ! এই যে কৃষ্ণকথা পাঠ করিলে, সেই কৃষ্ণপদে তোমার শরণ লওয়া উচিত।” ব্রহ্মনন্দ এবং ক্রমে অন্যান্য ব্রাহ্মণেরা গীতা ও