বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:শঙ্করদেব - উমেশচন্দ্র দেব (১৯২০).pdf/৪১

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

শঙ্করদেব বলেন, শঙ্করদেবের জীবিতকাল 'তের কম ছয় কুড়ি' অর্থাৎ ১০৭ বৎসর । কেই কেহ “দেড় মন্দ ছকুড়ি” এই পাঠান্তর সিদ্ধান্ত কয়িয়া ১১৮০ বৎসরে উপনীত হন। তাহা হইলে জন্মশক ১৩৭১ হয় । হইয়াছে ৷ জন্ম-শক ১৩৭ ১ দ্বিজ রামানন্দ প্রণীত চরিত্র-পুঁথিতে ১৩৭১ সাল জন্মকাল বলিয়া উল্লিখিত এই পুঁথি শঙ্করদেবের পুত্র রামানন্দ কর্তৃক রচিত নহে। ইহা ভবানীপুরিয়া গোপাল আতার পথাবলম্বী রামানন্দ নামে এক ব্যক্তির লিখিত । উহা মহাপুরুষীয় দত্ত সাধুর গ্রহনীয় নহে ( ২৮ ) পরবর্তীকালে লিখিত রুদ্রযামল (২৯) ও চরিত্র-সংহিতার প্রমাণ উদ্ধৃত করিয়! শঙ্করদেবের বলিয়া সিদ্ধান্ত করা হইয়া থাকে, । সুতরাং দেখা যাইতেছে, প্রামাণিক চরিত্রপুঁথিতে জন্মশকের অনুল্লেখহেতু ঐ সম্বন্ধে নিঃসন্দিগ্ধ হওয়া যায় না । “মাতাভক্ত-সংকাদের” বিবরণী বিশ্বাস করিতে হইলে শঙ্করদেবের জন্মশক ১৩৮৫ হয় । তাহার সহিত প্রথমবার তীর্থ-ভ্রমণ পর্যন্ত ৪৬ বৎসর যোগ, দিলে শক পাওয়া যায়, সুতরাং ঐ শকে অদ্বৈত্য-সভায় শঙ্করদেবের উপস্থিতি-সম্বন্ধে অপ্রত্যয় উপস্থিত হয় না । যাহা হউক, অনেকেই অধুনা ১৩৭১ শক শঙ্কর- দেবের জন্মশক বলিয়া গ্রহণ করিতেছেন এবং “ আত! ভক্ত সংবাদে” ১৪ বৎসর তাঁহাদের মতে 'আলিপুখুার ও বরদোয়ার তীর্থ বাদ পড়িয়াছে মনে করেন। ১৪৩১ ভ্রমণের পূর্ব্বে ১০ বৎসর ও বেহারে ২ বৎসর ৬ মাস এবং এক স্থান হইতে অন্য স্থানে যাওয়ার সময় ১ বৎসর ধরিয়া মোট ১১৯ বৎসর হইবে। এই হিসাবে ৪৪ বৎসর বয়সের সময় শঙ্কর দেবের প্রথম তীর্থযাত্রার কাল নির্দ্দিষ্ট হইয়া থাকে । উপরোক্ত মন্তব্যসহ আতাভক্ত-সংবাদের বিবরণীর প্রতি লক্ষ্য করিলে দেখা যাইবে যে, তীর্থ-ভ্রমণ হইতে প্রত্যাগমন করিয়াই শঙ্করদের ধর্ম্মপ্রচারে প্রবৃত্ত হন ( ২৮ ) ২য় ভাগ “জোনাকী” দ্রষ্টব্য । (২৯ ) খ বাণ বিশ্ব বেদকৈ শশাঙ্ক গণিতেশাকে । শ্রীমৎ শঙ্করনামাসৌহ্যবতীর্ণ: কলৌ যুগে । বিন্দু রদ্ধ বেদ চন্দ্র শাকে শঙ্কর সংজ্ঞকঃ । নবভাবং সমুৎসৃজ্য ভাদ্রমাসি ত্বাগাৎপদম্। (রুদ্রযামালম্ । ) শাকে শুভ্রাংশু সপ্ত জ্বলন শশিমিতৌ যোবতীর্ণো ধরিত্র্যম্ । স শ্রীশ্রীশঙ্করঃ শ্রীহরি পদ-মগমৎ ব্যে। মরন্ধাদ্ধি চন্দ্রে । চরিত্র-সংহিতা।