বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:শঙ্করদেব - উমেশচন্দ্র দেব (১৯২০).pdf/৫৬

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

৩। ত্রাহি ত্রাহি রাম মোরে । শঙ্করদেব ৪। • রাম সে জীবন রাম সে প্রাণ । মই মজিলো সংসার ঘোরে ॥ রাম বিনা নাহি বান্ধব আন ৷৷ মূল্যবান । ৫১ এই কীৰ্ত্তনটি ঐতিহাসিক হিসাবে খুব প্রতিপক্ষের পরাজয়ের জ্য শঙ্করদের প্রধানতঃ যে সকল শাস্ত্র অবলম্বন করিতেন তাহা এই কীৰ্ত্তনে উল্লিখিত হইয়াছে। বেদান্তের মর্ম্ম শ্রীমদ্ভাগবতে যেরূপ নিবদ্ধ হইয়াছে তাহার উল্লেখ করিয়া এই কীৰ্ত্তন আরম্ভ হইয়াছে । পশ্চাৎ একাদশ স্কন্ধ, আগম, বৃহন্নারদীয় পুরাণ, পদ্মপুরাণ, সুতসংহিতা, চতুর্থ স্কন্ধ, দ্বাদশ স্কন্ধ, দ্বিতীয় স্কন্ধ, তৃতীয় ঋদ্ধ, পঞ্চয স্কন্ধ, ষষ্ঠ স্কন্ধ, সপ্তম স্কন্ধ, অষ্টম স্কন্ধ, নাম স্কন্ধ, দশম স্কন্ধ, ক্রমান্বয়ে উল্লিখিত হইয়াছে । এই কীর্তনের একটি উপদেশ এই :— পুরাণ সূর্য্য মহাভাগবত । . বেদান্তরো ইতো পরম তত্ত্ব ৷৷ আৰু নুবুজি ফুঁরে নিন্দা করি ৷ তার মুখ চাই বুলিবা হরি ॥ আর একটি— বিষ্ণু বৈষ্ণবক করে ধিক্কার ি শাস্তি করিবাক যেবে না পারি ৷ কাটিবে আণ্টিল জিহ্বাক তার গুচিবে কাণিত অঙ্গুলি গারি ৷৷ ক্রমে বিপক্ষবাদীরা এই দিকে কিছু করিতে না পারিয়৷ অন্য উপায় উদ্ভাবনে নিযুক্ত হইলেন । পূর্ব্বে তাঁহার। বিদ্বেষ করিয়া শঙ্করদেবের বিশেষ কিছু করিতে পারেন নাই, কারণ শঙ্করদেব তাঁহাদের অপেক্ষা অধিক শাস্ত্রদশী ও বুদ্ধিমান ছিলেন। আর আহম রাজগণ ব্যক্তিগতভাবে শঙ্করদেবের প্রবর্তিত ধৰ্ম্মের বিদ্বেষ্ট। ছিলেন না। এবার প্রতিপক্ষগণ অতি অন্নায়াসে শঙ্করদের ও তৎপ্রবর্তিত ধর্ম্মের প্রতি রাজার বিদ্বেষ-বহ্নি প্রজ্বালিত করিতে সমর্থ হইলেন। শঙ্করদেবের কঠোরতর পরীক্ষার কাল উপস্থিত হইল । নরনারায়ণ রাজার পিতা কোচবংশীয় নৃপতিরা শাক্ত-ধৰ্ম্মাবলম্বী ছিলেন। বিশ্বসিংহের সময়েই কামাখ্যাদেবীর বর্তমান মন্দির নির্ম্মিত ও তাঁহার পূজা- সেবার ঘটা অত্যধিক বৰ্দ্ধিত হইয়াছিল। রাজ। নরনারায়ণের নিকট শাক্তেরা যখন জানাইলেন যে, শঙ্করদেব দেবীর পূজা নিষেধ করিয়াছেন তখন তাঁহার ক্রোধের সীমা রহিল না। তিনি শঙ্করদেবকে ধরিষা আনিতে “গড়মলি” পাঠাইয়া দিলেন এবং আরক্ত-নয়নে বলিলেন : -