পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার).djvu/১৮২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ ডাক্তার কয়েক মূহূৰ্ত্ত চুপ করিয়া ভারতীর মুখের প্রতি চাহিয়া থাকিয়া স্বছ হাসিয়া কহিলেন, ভারতী, এ কথা তোমার মুখেই সাজে এবং এর জন্তে আমি তোমাকে আশীৰ্ব্বাদ করি তুমি সুখী হও । এই বলিয়া তিনি পুনরায় একটুখানি হাসিলেন । কিন্তু এ-কথা ভারতী জানিত ষে হাসির মূল্য নাই, হয়ত ইহা আর কিছু—ইহার অর্থ নিরূপণ করিতে যাওয়া বৃথা। তাই সে মৌন হুইয়া রহিল। ডাক্তার আস্তে আস্তে বলিলেন, এই কথাটা আমার তুমি চিরদিন মনে রেখ ভারতী, আমার দেশ গেছে বলেই আমি এদের শক্র নই। একদিন মুসলমানের হাতেও এ দেশ গিয়েছিল। কিন্তু সমস্ত মহন্তত্বের এতবড় পরম শত্রু জগতে আর নেই। স্বার্থের দায়ে ধীরে ধীরে মানুষকে অমান্বষ করে তোলাই এদের মজাগত সংস্কার । এই এদের ব্যবসা, এই এদের মূলধন। যদি পারে দেশের নর-নারীকে শুধু এই সত্যটাই শিখিয়ে দিও। নীচের ঘড়িতে টং টং করিয়া চারিট বাজিল। সম্মুখের ধোলা জানালার বাহিরে রাত্রি শেষের অন্ধকার গাঢ়তর হইয়া আসিল, সেই দিকে নির্নিমেষ চক্ষে চাহিয়া ভারতী স্তব্ধ, স্থির হইয়া বসিয়া কত কি যে ভাবিতে লাগিল তাহার স্থিরতা নাই, কিন্তু একটা সমস্ত জাতির বিরুদ্ধে এতবড় অভিযোগ সত্য বলিয়া বিশ্বাস করিতে কিছুতেই তাহার প্রবৃত্তি হইল না । 3 কাল সারারাত্রি ভারতী ঘুমাইতে পায় নাই। দিনের বেলায় তাহার শরীর ও মন দুই-ই খারাপ ছিল ; তাই ইচ্ছা করিয়াছিল, আজ একটু সকাল-সকাল খাওয়া-দাওয়া শেষ করিয়া শধ্যা গ্রহণ করিবে । এইজন্ত সন্ধ্যার প্রাক্কালেই সে রাধা-বাড়ায় মন দিয়াছিল। এমন সময় দলের একজন আসিয়া তাহার হাতে একখানা পত্র দিল। স্বমিত্রার লেখা, তিনি একটি ছত্রে শুধু এই বলিয়া আহান করিয়াছেন যে, যে-কোন অবস্থায়, ষে কোন কাজ ফেলিয়া রাখিয়াও সে যেন এই পত্রবাহকের সঙ্গে চলিয়া আসে । সুমিত্রার আদেশ লঙ্ঘন করিবার জো নাই, কিন্তু ভারতী অত্যন্ত বিস্থিত হইল । জিজ্ঞাসা করিল, তার কি হঠাৎ কোন অমুখ করেছে ? উত্তরে পত্রবাহক জানাইল, না । নীচে নামিয়া দেখিল দরজায় দাড়াইয়া তাহাদের অত্যন্ত সুপরিচিত ভাড়াটে kषांफ़ांब्र-गांफ़ि, किरू शांरक्लांब्रांन बाल श्ब्रां८छ् । हेक्षां८क cषविब्रां षट्टन इब्ब ना እፃቁ