পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (পঞ্চম সম্ভার).djvu/২৪৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরিণীতা হঠাৎ শেখর মুখ ফিরাইয়া প্রশ্ন করিল, আসচে মাসেই হবে নাকি ? তাই ত শুনি । শেখর আর কিছু জিজ্ঞাসা করিল না। মা কিছুক্ষণ চুপ করিয়া থাকিয়া বলিলেন, ললিতার মুখে শুনলাম, ওর মামার দেহটাও নাকি আজকাল ভাল নেই। না থাকবারই কথা । একে তার নিজের মনের মুখ নেই, তাতে বাড়িতে নিত্য কান্নাকাটি—এক মিনিটের তরেও ৪-বাড়িতে স্বস্তি নেই । শেখর চুপ করিয়া শুনিতেছিল, চুপ করিয়াই রহিল। খানিক পরে মা উঠিয়া গেল, সে বিছানায় আসিয়া শুইয়া পড়িল—সে ললিতার কথা ভাবিতে লাগিল । এই গলিটায় দুখানা গাড়ির স্বচ্ছন্দে যাতায়াতের স্থান হয় না। একখানিগাড়ি খুব একপাশে ঘোঁসিয়া না দাড়াইলে আর একটা যাইতে পারে না। দিনদশেক পরে শেখরের আফিস-গাড়ি গুরুচরণের বাটীর সম্মুখে বাধা পাইয়া স্থির হইল । শেখর আফিস হইতে ফিরিতেছিল, নামিয়া আসিয়া জিজ্ঞাসা করিয়া জানিল ডাক্তার অসিয়াছেন । সে কিছুদিন পূৰ্ব্বে মায়ের কাছে শুনিয়াছিল গুরুচরণের শরীর ভাল নাই। তাই মনে করিয়া আর বাড়ি গেল না, সোজা গুরুচরণের শোবার ঘরে আসিয়া উপস্থিত হইল। তাই বটে। গুরুচরণ নিজীবের মত বিছানায় পড়িয়া আছেন, একপাশে ললিতা ও গিরীন শুল্কমুখে বসিয়া আছে, স্বমুখে চৌকির উপর বসিয়া ডাক্তার রোগ পরীক্ষা করিতেছেন । গুরুচরণ অস্ফুট-স্বরে বসিতে বলিলেন, ললিত মাথায় আঁচলটা আরো একটু টানিয়া দিয়া মুখ ফিরাইয়া বসিল। ডাক্তার পাড়ার লোক, শেখরকে চিনিতেন । রোগ পরীক্ষা করিয়া ঔষধ ব্যবস্থা করিয়া তাহাকে সঙ্গে লইয়া বাহিরে আসিয়া বসিলেন । গিরীন পিছনে আসিয়া টাকা দিয়া ডাক্তার বিদায় করিবার সময় তিনি বিশেষ করিয়া তাহাকে সতর্ক করিয়া দিলেন যে, রোগ এখনও অধিকদূর অগ্রসর হয় নাই, এই সময়ে বায়ু পরিবর্তনের নিতান্ত আবশ্যক । ডাক্তার চলিয়া গেলে উভয়েই আর একবার গুরুচরণের ঘরে আসিয়া ॉांझांझेरलम । : ললিত ইসারা করিয়া গিরীনকে একপাশে ভাকিয়া লইয়া গিয়া চুপি চুপি কথা 는 لا تاسسس الإt