পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (সপ্তম সম্ভার).djvu/২৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গৃহদাই জাজ তুমি আমার সঙ্গে যেতে পারো ? রঘুবীর ভয়ানক আশ্চৰ্য্য হইবা বলিল, তুমি যাবে । সেখানে যে ভারি পিলেগের বেমারী। অচলা কহিল, তুমি না যেতে পারে, আর কোন চাকরকে রাজি কংিয়ে দিতে পারো ? সে যা বকশিশ চায় আমি দেবো । রঘুবীর ক্ষুণ্ণ হইয়া কহিল, মাইঙ্গী, তুমি যেতে পারবে, আর আমি পারব না ? কিন্তু রাস্ত নেই, আমাদের ভারি গাড়ি ত যাবে না। এক কিংবা খাটুলী-তার কোনটাতেই ত তুমি যেতে পাবে না মাইণী । অচলা কহিল, যা জোটে, আমি তাতেই যেতে পারবো । কিন্তু আর ত দেরি করলে চলবে না রঘুবীর। তুমি যা পাও একটা নিয়ে এসো। রঘুবীর আর তর্ক না করিয়া অল্পকালের মধ্যেই একটা খাটুলী সংগ্ৰহ করিয়া আনিল এবং নিজের লোটা-কম্বগ লাঠিতে ঝুলাইয়া লেটা কাধে ফেলিয়া বীরের মতই পদব্রজে সঙ্গে যাইতে প্রস্তুত হইল। বাড়ির খবরদারীর ভার দর ওয়ান ও অন্যান্ত তৃত্যদের উপর দিয়া কোন এক অজানা মাঝুলির পথে অচলা যখন একমাত্র স্বরেশকেই লক্ষ্য করিয়া আজ গৃহের বাহির হইল, তখন সমস্তু ব্যাপারটাই তাহার নিজের কাছে অত্যন্ত অদ্ভুত স্বপ্নের মত ঠেকিতে লাগিল। তাহার বার বার মনে হইল, এই বিচিত্র জগতে এমন ঘটনাও এক দিন ঘটবে, এ-কথা কে ভাবিতে পারিত ! ধূলা-বালির কাচা পথ একটা আছে। কিন্তু কখনও তাহা স্ববিস্তীর্ণ মাঠের মধ্যে অস্পষ্ট, কখনও বা ক্ষুদ্র গ্রামের মধ্যে লুপ্ত অবরুদ্ধ। গৃহস্থের সুবিধা ও মর্জিমত তাহার আয়তন ও উদ্বেগু পরিবৰ্ত্তিত হইয়। কখনো বা নদীর ধার দিয়া, কখনো বা গৃহপ্রাঙ্গণের উপর দিয়াই সে গ্রামান্তরে চলিয়া গিয়াছে। প্রথম কিছুদূর পর্যন্ত তাহার কৌতুহল মাঝে মাঝে সজাগ হইয়া উঠিয়াছিল। একটা মৃতদেহ একখণ্ড বাশে বাধিয়া কয়েকজন লোককে নিকট দিয়া বহন করিয়া যাইতে দেখিয়া সংক্রমণের ভয়ে তাহার দেহ সঙ্কুচিত হইয়াছিল, ইচ্ছা করিয়াছিল জিজ্ঞাসা করিয়া লয়, কিসে মরিয়াছে, ইহার বয়স কত এবং কে কে আছে । কিন্তু পথের দূরত্ব যত বাড়িয়া চলিতে লাগিল, বেলা তত পড়িয়া আদিতে লাগিল এবং কাছে ও দূর গ্রামের মধ্য হইতে কান্নার রোল যত তাহার কানে আসিয়া পৌছিতে লাগিল, ততই সমস্ত মন যেন কি একপ্রকার জড়তায় বিমাইয়া পড়িতে লাগিল । बइकन रुहेरठ ठांशद्ध छुक्र्ग ८षांश इहेबांछ्णि, ७थाप्नई कङकों *थ मौञ्च ऍक्र ३0é