পাতা:শারদোৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৯৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সন্ন্যাসী। আমি অনেকদিন ভেবেছি জগৎ এমন আশ্চর্য হার কেন ?... जॉज স্পষ্ট প্রত্যক্ষ দেখতে পাচ্ছি— জগৎ আনন্মের ঋণ শোধ করছে। यज्जां महाज করছে না, নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে সমস্ত ত্যাগ ক'রে করছে।... কোথাও সাধনার এতটুকু বিশ্রাম নেই, সেইজন্তই এত সৌন্দর্য। ঠাকুরদাদা। এ কদিকে অনন্ত ভাওরি থেকে তিনি কেবলই ঢেলে দিচ্ছেন, আরএক দিকে কঠিন দুঃখে তারই শোধ চলছে।... এই দুঃখের জোরেই পাওয়ার সঙ্গে দেওয়ার ওজন বেশ সমান থেকে যাচ্ছে, মিলনটি সুন্দর হয়ে উঠেছে। সন্ন্যাসী । ঠাকুবদা, যেখানে আলস্ত, যেখানে কৃপণতা, যেখানেই ঋণশোধ টিল পড়ে যাচ্ছে, সেইখানেই সমস্ত কুলী... । ঠাকুরদাদা । সেইখানেই যে এক পক্ষে কম পড়ে যায়, অষ্ঠ পক্ষের সঙ্গে মিলন পুরো হতে পায় না। সন্ন্যাসী। লক্ষ্মী যখন মানবের মর্ত্যলোকে আসেন তখন দুঃখিনী হয়েই আসেন ; তার সেই সাধনার তপস্বিনীবেশেই ভগবান মুগ্ধ... ; শত দুঃখেরই দলে উfর সোনার পদ্ম সংসারে ফুটে উঠেছে...। লক্ষ্মী সৌন্দর্য ও সম্পদের দেবী ; গৌরী যেমন তপস্যা করিয়া শিবকে পাইয়াছিলেন, মর্ত্যলোকে লক্ষ্মীও তেমনি দুঃখের সাধনার দ্বারাই ভগবানের সহিত মিলন লাভ করেন। যে-মানুষ বা যে-জাতির মধ্যে এই ত্যাগ নাই তপস্তা নাই, দু:খস্বীকারে জড়তা, সেখানে লক্ষ্মী নাই, সুতরাং সেখানে ভগবানের প্রেম আকৃষ্ট ङ्य़ न! । উপনন তাহার প্রভূর নিকট হইতে প্রেম পাইয়াছিল, ত্যাগ স্বীকারের দ্বারা প্রতিদানের পথ বাহিয়া সে যতই সেই প্রেমদানের সমান ক্ষেত্রে উঠতেছে ততই সে মুক্তির আনন্দ উপলব্ধি করিতেছে। 3&