পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/৩২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ఫి শিখগুরু ও শিখজাতি মূৰ্ত্তি নাই, সহস্র বিমল পদ অথচ একটিও পদ নাই, গন্ধ নাই অথচ সহস্ৰ তোমার গন্ধ, এইরূপ তোমার মনোহর চরিত্র। সকলের মধ্যে যে জ্যোতিঃ তাহা তাহারই জ্যোতিঃ । তাহার প্রকাশে সকলি প্রকাশিত হয় । গুরু সাক্ষাৎ হইলে এই জ্যোতিঃ প্রকাশিত হয়। সাধক যখন তাহাকে ভক্তি করেন, তখনই তাহার আরতি হয়। আমার মন হরির চরণকমলের মকরনে মুগ্ধ হইয়াছে, দিবানিশি আমি তাহারই জন্য ভূষিত। নানকচাতককে কৃপাবারি প্রদান কর, সে যেন তোমার নামে নিত্য বাস করিতে পারে।” রসস্বরূপের অনুক্ষণ ধ্যান করিতে করিতে পরমভক্ত লানকের হৃদয় প্রেমে সরস হইয়া গিয়াছিল । সরল শিশুর মত তিনি কোমলহৃদয় ছিলেন। এইরূপ প্রকাশ, দেশভ্রমণকালে রাস্তায় শিশুদের সহিত দেখা হইলে তিনি তাহাদের সহিত মিশিয়া শিশু হইয়া যাইতেন, তাহাদের খেলাধুলায় যোগদান করিতেন। সন্ন্যাসীর বেশে নানক যখন প্রচারে বাহির হইয়াছিলেন তখন একদিন বিপাশানদীর তীরে ক্রোড়ীর নামক এক ধনি-সস্তানের সহিত র্তাহার দেখা হয় । নানকের অলৌকিক ভাবে মুগ্ধ হইয়া ক্রোড়ীরা তাহার চরণে আত্মসমৰ্পণ করেন। ক্রোড়ীর বিপাশা তীরে নানককে একটি নগর নিৰ্ম্মাণ করিয়া দিয়াছিলেন । মানকের আদেশ অনুসারে ক্রোড়ীর ঐ নগরটার নাম “ কর্তারপুর ” রাখিয়াছিলেন। ঐ নগরটি শিখদিগের একটি প্রসিদ্ধ তীর্থক্ষেত্র হইয়াছে। * সাহাজাদ” অর্থাৎ নানকের বংশ এখনো এখানে বাস করিতেছেন। নানা রাজ্য পরিভ্রমণ করিয়া নানক স্বগৃহে ফিরিয়া আসিলেন । সন্ন্যাসীর বেশ পরিত্যাগ করিয়া তিনি আবার গৃহী হইলেন। তিনি প্রকাশ করিলেন--"কোরাণে পুরাণে ও শাস্ত্রে ভগবান নাই ; ধৰ্ম্ম-শাস্ত্র প্রণেতার