পাতা:শিখ-ইতিহাস.djvu/১২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


7 শিখ-গুরু বা শিক্ষকগণ ("O নীতি অবলম্বন করিয়া গোবিন্দ এই প্রথা রহিত করিবার চেষ্টা করিয়াছিলেন, তাহার ধৰ্ম গ্রন্থে তাহার কোন নিদর্শন নাই ॥৬৭ গোবিন্দ এক বিষয়ে জয়লাভ করিয়া ছিলেন ; তিনি ধৰ্ম প্রচারে শিষ্যগণের প্রভূ হইয়াছিলেন। এখনও তাহার একটি গুরুতর শ্রমসাধ্য কার্য অবশিষ্ট আছে। সে কার্য, —অবিশ্বাসী প্রজাপীড়নকারী বিধর্মিগণের রাজ্যের ধ্বংস-সাধন। মুসলমানদিগের ভিমর এবং হিন্দুদিগের কুসংস্কারের মধ্যেও তিনি “খালসার, বা সিংদিগের ধম'রাজ্যের মুল পুস্তকে এই নিয়মের যে ব্যাখ্যা সন্নিবিষ্ট হইয়াছে,-সেই ব্যাখ্যাই প্রকৃত। ভারতবর্ষের সপত্রই সর্বপ্রকার অন্ত্রশস্ত্রের, (হাতিয়ার পাত্রের ) পূজা হয়। পশ্চিম-অঞ্চলের প্রচলিত সাধু-ভাষায় বলিতে গেলে, এ সকলই পবিত্র বলিয়। বিবেচিত হইত এবং ঈশ্বরের নামে সকলেই তাহা উৎসর্গ করিত। প্রধানতঃ ব্যবসায়ী সওদাগরদিগের মধ্যেই এই প্রথার বহুল প্রচার দেখিতে পাওয়া যায়। তাহারা প্রতি বৎসর একস্থানে স্বর্ণ স্থূপীকৃত করিয়া তৎসমক্ষে ধর্মকাষের উৎসবাদি সম্পন্ন করিয়া থাকে। যাহার। পুরুষানুক্রমে কেরাণীগিরি অথবা নকলনবিস করে, তাহারাও সেইরূপে মসীপাত্র পুজা করে । সৈনিক বিভাগেও এ প্রথার অভাব দেখা যায় না ; সৈন্তাধক্ষগণ দশহরার উৎসবের দিন পতাকা ও BSBBB BBBB BBBB BB BBBB BBBS BBBB BBBB BBB BtttBB BBBBBB পরিত্যাগ করিয়াছিল। তাহাদের পূর্বপুরুষগণ হলাকর্ষণ, বস্ত্ৰ-বয়ন, কেরাণীগিরি প্রভৃতি কার্ধে নিযুক্ত থাকিতেন। এক্ষণে শিখ-জাতি পূর্বপুরুষদিগের সেই সকল ব্যবসায় পরিত্যাগ করিল। গোবিলের শিক্ষা-প্রভাবে তাহারা বুঝিল,—এই পৃথিবীতে তরবারিই তাহাদের একমাত্র অবলম্বন। যদ্বার ক্ষমতা-প্রভুত্ব লাভ হয় ; যাহার সাহায্যে নিরাপদে নিরুপদ্রবে কালযাপন করা যায় ; যাহাতে প্রাত্যহিক খাদ্যের সংস্থান হয় ; -তৎপ্রতি সন্মানপ্রদর্শনের জ্ঞান সর্বদেশেই পরিস্ফুট দেখিতে পাওয়া যায়। আমাদের ( ইংরাজদের ) স্বদেশে কোন নাবিক নেী বিভাগের কর্মচারী বলিয়া পরিচিত হওয়া সম্মানাহঁ বলিয়া মনে করেন। অদ্য বিভাগের কার্য অপেক্ষ নেী-বিভাগের কাধ তাহাদের নিকট লাঘণীয় । ভারতবর্ষে পুরুষানুক্রমিক ব্যবসায় প্রথা প্রচলিত থাকায়, এই ভাব উচ্চ-স্থান প্রাপ্ত হইয়াছে। দর্শণশাস্ত্ৰেৰ ভাষায় বলিতে গলে ইহ। আত্মার পুনর্জন্মলাভ সম্বন্ধীয় বিশিষ্ট নীতি-বিশেষ। কিন্তু বিবেকশক্তি দ্বার। বিচার করিয়া দেখিতে গেলে বুঝা যায়, মনুয়ের প্রাতাহিক ক্রিয়া-কলাপ স্বচারুরূপে পরিচালিত করিতেই এই নীতি বিধিবদ্ধ হইয়াছে ; এবং পরম সুখ সম্পূর্ণরূপে আয়ত্ত না হওয়া পর্যন্ত এই নীতি অনুস্থত হইবে। যে ব্যক্তি সর্বদা যুদ্ধ-চিন্তায় নিমগ্ন থাকে ; যে ব্যক্তি তরবারিই একমাত্র অবলম্বনীয় মনে করে,—তাহার আত্মাই নিকৃষ্ট আত্মা। মুক্ত আত্মা সর্বদাই ঈশ্বর-চিন্তায় রত থাকে। সাচ্চ পাস’ বা প্রকৃতরাজ,-এই শদের প্রকৃত্ত বুৎপত্তি নির্ণয় করা স্বকঠিন। এই শব্দের উৎপত্তি ও বুৎপত্তি একই রূপে নিম্পন্ন হইয়াছে বলিয়া মনে হয়। ধর্মরাজ বা গুরু অবিনশ্বর অস্থিার উপর আধিপত্য করেন ; তিনি মুক্তির পথ-প্রদর্শক। কিন্তু ঐহিক রাজা, ইন্দ্রিয়বৃত্তি পরিচালনার পথ-প্রদর্শক। তিনি ইন্দ্রির সুখভোগ-লালসা ও প্রবল বাসনার পরিমিত ব্যবহারের ব্যবস্থা বন্দোবস্ত করিয়া থাকেন। মুসলমানদিগেরও তাছাই বিশ্বাস। এবং তাহাদের মধ্যে একতাব্যঞ্জক হাকিকি শব্দ প্রচলিত আছে। DDS BB BBDD BBBB BBBB SBDDDS L SBB BBBS BBB BB BBBD DBBBS তাহাতে এই সমুদায় এবং অদ্যাঙ্ক আরও অনেক ভেদ-ব্যঞ্জক প্রথা দৃষ্ট হইবে। প্রকৃত ধাৰ্মিকের স্বাভাবিক প্রভেন-ব্যঞ্জক অমুণ্ডিত কেশদাম ও নীলবর্ণ পরিচ্ছদ পরিধানের প্রথা cभfविप्लब cरून अ८इ३ मृहे इब्र न । ७ नषरक ॐाशब८कन आएरन झिल दलिब्रा ऋन श्ब्र ना । বোধ হয় প্রধানতঃ আচার পদ্ধতি ও ব্যবহারিক নীতি হইতে তাহার বিশেষ একটি নিদর্শন স্বরূপ