পাতা:শিখ-ইতিহাস.djvu/৪৩৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পঞ্জাবের পরিণাম - פ"גט এক্ষণে পঞ্জাবের শাসন-ব্যবস্থা আরও পরিবর্তিত। আমাদের এই বাঙ্গালা দেশের স্কার, পঞ্জাব এক্ষণে একজন লেফটেনাণ্ট গবর্ণরের শাসনাধীন। দ্বিতীয় শিখ-যুদ্ধের পর পঞ্জাব বৃটিশ-সাম্রাজ্যের অস্তভূক্ত হইলে, আরও কি হইয়াছিল, বলিতে হইবে কি ? বালক দলীপ সিংহ খৃষ্টধর্মে দীক্ষিত হইলেন। র্তাহাকে সমুত্রপারে ইংলণ্ডে পাঠাইবার ব্যবস্থা হইল। ইংলণ্ডে গমন করিয়া, দলীপ সিংহের কি দুর্দশা ঘটয়াছিল, সে কথা আজিও সকলেরই হৃদয়ে জাগরুক আছে। সেখানে গিয়া, পাশ্চাত্য বিলাস-মদিরায় বালকের কোমল প্রাণ ক্রমেই বিষাক্ত হইয়া আসিল । বয়ঃপ্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে সেই বিষে তিনি জর্জরিত হইয়া পড়িলেন । শেষ এমন হইয়া দাড়াইল যে, যে-টাকা তিনি বৃত্তি পাইতে লাগিলেন, তাহাতে আর র্তাহার কুলান হইল না ;–দিন দিন ঋণজালে বিজড়িত হইতে লাগিলেন । ঋণজালে বিজড়িত হইয়া, ইংলণ্ডের নরনারীর নিকট তিনি যেরূপ ঘৃণিত ও অপদস্থ হইয়াছিলেন, সে সকল কথা স্মরণ করিতেও হৃদয় বিদীর্ণ হয়। পঞ্জাব-কেশরী রণজিৎ সিংহের পুত্র মহারাজ দলীপ সিংহের সে দশ দেখিতে হইবে,—স্বপ্নেও কেহ চিন্তা করিতে পারেন নাই। এমনি দুরবস্থায়, এমনি হতশ্রদ্ধায়, এমনি দৈন্য-দারিদ্রে, দলীপ সিংহের জীবন অতিবাহিত হইয়াছিল । দলীপ সিংহের বংশধরগণ এক্ষণে বিলাতেই বসবাস করিতেছেন। র্তাহদের আর সে শিখত্ব নাই ; তাহারা এখন সাহেব বনিয়া গিয়াছেন । হায় হায় – পঞ্জাব-কেশরীর বংশের এই পরিণাম লিখিত ছিল । দলীপ সিংহের জননী বিন্দন বা চন্দ্রাবতীর দশা কি হইয়াছিল, সে কথা স্মরণ করিলেও পাষাণ বিদীর্ণ হইয়া জলধারা নির্গত হয় । পুত্রের মঙ্গল-কামনায় শিখগণকে উত্তেজিত করিতে গিয়া, তিনি নানারূপে নির্যাতন-গ্ৰস্ত হন। পরিশেষে, যখন ধর্মস্তির গ্রহণ করিয়া পুত্র দলীপ সিংহ সাগরপারে প্রস্থান করেন, সেই সময়ে শোকে, তাপে, মনোভঙ্গে অভাগিনীর ইহু-লীলা সাঙ্গ হয় । সে সকল লোমহর্ষণ দৃগু,—আপনিই যেন চক্ষের উপর প্রতিফলিত হইতেছে। অথচ, শিখ জাতি সে সকল স্মৃতি বিস্মৃতি-সাগরে ভাসাইয়া দিয়া নিয়তই কৃত্রিম স্থখ-শাস্তির অন্বেষণ করিয়া বেড়াইতেছে । যে শিখজাতিকে কেহ কখনও দমন করিতে পারে নাই ; পরাধীনতা কাহাকে বলে, যে শিখজাতি কখনও জানিত না, পূর্ব-স্মৃতি বিস্তুতি হইয়া আজ সেই শিখজাতির কি শোচনীয় পরিবর্তন । দাসত্বে,তাহারা এমনই ভাবে আত্মবিক্রয় করিতে শিখিয়াছে,—নিমকের চাকরগিরিতে এমনই অকপট পরিচয় দিতে শিক্ষা করিয়াছে যে,—তাহাদিগকে আর গুরু গোবিন্দের ‘খালসা" শিখ বলিয়া মনেই হয় না | ভাবিতে গেলে, এইরূপ আরও কথা মনে পড়ে । মনে পড়ে,—কি স্থত্রে কি ছিজ অবলম্বন করিয়া, শিখ-যুদ্ধের স্বচনা হইল। মনে পড়ে,—কি করিতে গিয়া, কি কার্যে কি ফল লাভ করিল। দ্বিতীয় শিখ-যুদ্ধ আরম্ভের পূর্বে, পঞ্জাবের শাসনকর্তৃত্ব প্রকারাস্তরে বৃটিশ-গবর্ণমেণ্টেই গ্রহণ করিয়াছিলেন ; তাহাদেরই পরামর্শ-অঙ্কুসারে পঞ্জাবের রাজকার্য নির্বাহিত হইতেছিল। মূলরাজের সহিত বিবাদ-বিসম্বাদের মুলকারণও खैiदांब्रांदे । अथक ब्रांछाबछे श्हे८णन -- मलौनं निरए ! ललौ* जिरzश्ब्र ब्रांछद्ध ब्रक्रांद्र