পাতা:শিখ-ইতিহাস.djvu/৪৬০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গুরু গোবিন্দের ধর্মপ্রচার পদ্ধতি २€ আজ আপনার অঙ্কগ্রহে বর্ণনা করিব। ঈশ্বরের করুণাবলে, আমি পূর্ব জন্মে যাহা প্রত্যক্ষ করিয়াছি, তাহাও এস্থলে সাধারণের গোচরীভূত করিতে ইচ্ছা করিয়াছি। আমি যে কার্যেই প্রবৃত্ত হইয়াছি, হে জগদীশ্বর। সর্ব সময়েই আপনি আমার প্রতি করুণা-কণা বর্ষণ করিয়াছেন। ‘লৌ’ (লৌহই ) আমার রক্ষাকর্তা। ঈশ্বরের অনুগ্রহে আমি সবল দেহ প্রাপ্ত হইয়াছি। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে আমি যাহা পরিদর্শন করিয়াছি, সে সকলই আমি গ্রন্থে সন্নিবিষ্ট করিব। আমি মানবকে সকল বিষয়ই বুঝাইয়া দিব। চব্বিশ অবতার হইতে কতকগুলি মম' “কদ্বী", ( শেষ ভাগ ) —অবশেষে কী বিশেষ বলশালী এবং অহঙ্কার/ঘৃপ্ত হইয়া উঠিল। তাহাতে জগদীশ্বর কুপিত হইয়া, অপর আর একজন প্রাণী হষ্টি করিলেন । এইরূপে প্রবল এবং পরাক্রমশালী মেদী মীরের স্বষ্টি হইল। মেদী মীর, কন্ধীর ধ্বংসসাধন করিয়া সমগ্র পৃথিবী অধিকার করিয়া বসিলেন। সকলই ঈশ্বরের ইচ্ছায় এবং শক্তিতে সম্পন্ন হইয়া থাকে ; তিনিই সর্ব বিষয়ের অধিকারী। এইরূপে চব্বিশ অবতারের অবসান হইল । “মেদ মীর’ – এইরূপে কন্ধী ধ্বংসমুখে নিপতিত হইলেন। কিন্তু জগদীশ্বর সর্ব সময়েই অবতার গ্রহণ করিয়া থাকেন ; কলিযুগের শেষ ভাগে বা অবসানে সকলই ঈশ্বরে বিলীন হইবে I* যখন মেী মীরের নিকট পৃথিবী পরাজয় স্বীকার করিল,— মেদ মীর যখন পৃথিবী অধিকার করিয়া বসিলেন, তখন র্তাহার মনে কিছু অভিমানের সঞ্চার হইল। তিনি প্রভূত্ব-ক্ষমতা এবং মহত্বের উচ্চ চূড়ায় আরোহণ করিলেন ; সকলেই তাহার নিকট অবনত মস্তক হইল। তিনি আপনাকে সর্ব শক্তিমান বলিয়া মনে করিতে লাগিলেন ;– তাহার মন হইতে ঈশ্বরের স্বত্বা তিরোহিত হইল। মেী মীর স্থির করিলেন,—তিনি সর্বভূতে এবং সর্বত্র বিদ্যমান রহিয়াছেন। তখন সর্বশক্তিমান জগদীশ্বর সেই নির্বোধকে আক্রমণ করিলেন । জগদীশ্বর অদ্বিতীয় ; ঈশ্বর এক, তাহার দ্বিতীয় নাই। তিনি সর্বদা সর্বত্র,—জলে, স্থলে, মৃত্তিকাগর্ভে, পাতালে, সকল স্থানেই বিদ্যমান। যে ব্যক্তি অদ্বিতীয় ঈশ্বরকে জানে না, সে অসংখ্যবার এ পৃথিবীতে জন্ম

  • নিজ জোত বা জোত সামন ।