পাতা:শিখ-ইতিহাস.djvu/৪৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নানকের পত্র २♚ তাহাতে গুরু উত্তর করিলেন,— “যখন আমি দশম বার মানব-দেহ গ্রহণ করিব, তখন আমি গোবিন্দ নামে পরিচিত হইব ; তখন সিংহগণ কেহই মস্তক মুগুন করিবে না ; তাহারা সকলেই দ্বি-মুখ বিশিষ্ট অস্ত্রের "পহাল” গ্রহণ করিবে । তখন খালসা" সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠিত হইবে, এবং সকলেই গুরুর জয়’ !—এই জয়ধ্বনি উচ্চারণ করিবে । তখন জাতিভেদ থাকিবে না,—চারি জাতি এক হুইবে ; তখন সকলেরই অঙ্গ পাঁচখানি অস্ত্রে স্থসজ্জিত থাকিবে। কলিযুগে তাহারা সকলেই নীলবর্ণের পরিচ্ছদ পরিধান করিবে ; তখন দেখিবে,="খালসা" নাম সর্বত্রই বিরাজমান। আরঙ্গজেবের রাজত্ব কালে, সেই খালসার অভু্যখানে সকলেই চমকিত হইবে। তখন যুদ্ধ বাধিয়া উঠিবে, অনন্তকাল সেই যুদ্ধ চলিবে ; তাহার বিরাম হইবে না। প্রতি বৎসর সেই যুদ্ধ চলিতে থাকিবে । তখন সকলেরই অস্তরে গোবিন্দ নাম বিরাজ করিবে ; অনেকেই মস্তক উত্তোলন করিয়া উঠিবে,— তখন খালসা" সাম্রাজ্যের প্রাধান্ত বিস্তৃত হইৰে । প্রথমতঃ, পঞ্জাবে শিখরাজ্যের প্রতিষ্ঠা ; সমগ্র পঞ্জাব শিখদিগের অধীনতা-পাশে আবদ্ধ হইবে ; তখন দেখিবে হিন্দুস্থান এবং উত্তর খণ্ডে খালসার আধিপত্য বিরাজমান। পরিশেষে অপরাপর দেশও তাহার অধিকার করিয়া লইবে । পশ্চিম প্রদেশ তাঁহাদের নিকট মস্তক অবনত করিবে । তদপর শিখগণ খোরাসানে প্রবেশ করিলে, কাবুল এবং কান্দাহার তাহদের পদানত হইবে। তারপর যখন ইরানঞ্চ অধীনতা স্বীকার করিবে,

  • প্রাচীন কালে পারস্ত দেশ, ইরাপ নামে পরিচিত ছিল।