পাতা:শিখ-ইতিহাস.djvu/৬৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রাচীন ভারতের ধর্মমত ૨૭ করেন ; তংপরে সেকেন্দর সাহ যখন ভারত আক্রমণ করিয়াছিলেন , এমন কি, যিশুখ্ৰষ্টের জন্মের সাত শত বৎসর পরেও, যখন অজ্ঞাত-কুলশীল অসভ্য যেহিয়ান’ জাতি সর্বত্র পরিভ্রমণ করিয়া জ্ঞানার্জন করিত ;—তখনও কতকগুলি রাজ্য, প্রাচীন ‘আৰ্য'জাতি ভিন্ন অন্যান্য জাতির শাসনাধীন ছিল। প্রচলিত বৌদ্ধধর্মে ঈশ্বর-স্বারূপ, অম্পট-ভাবে বর্তমান ; তথাপি একেশ্বরবাদী বেদধর্মের অপেক্ষ এই বৌদ্ধধর্মের উপাসক সংঘর্স অধিক। বেদধর্মাবলম্বীগণ প্রখর স্বর্য, বায়ু কিংবা অগ্নি ভিন্ন অন্য কোন সাদৃগু কার করিত না।" এই যুগে হিন্দুগণের প্রতিভাশক্তি সম্পূর্ণরূপে বিকাশ প্রাপ্ত পৰ প্রাf হইয়াছিল। কিন্তু ব্রাহ্মণদের এই শ্রেষ্ঠ ধর্মশিক্ষা এবং শাস্ত্রজ্ঞান হইতে শক্রাণ অনেক সাহায্য পাইয়াছিল। ব্রাহ্মণ বা ক্ষত্রিয় বংশ সস্তুত গৌতম, ব্রাহ্মণদিগের এই শ্রেষ্ঠ জ্ঞান অবলম্বন করিয়াই বোধ হয় অধিকতর বিশুদ্ধ জ্ঞানিক রীতি অনুসারে বৌদ্ধধর্মের সংস্কার কার্ধ সংসাধন করিয়া পরবর্তী সময়ে ৰৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক এবং ঈশ্বরানুগৃহীত ব্যক্তি বলিয়া প্রশংসিত হইয়াছিলেন। বর্তমান সময়ে প্রচলিত ধৰ্মসমূহের মধ্যে শৈবধর্মেই বেদোক্ত উপাসনার পদ্ধতি লক্ষিত হয় (Compare Wilson As. Res' XVII. 170 &c, and “Vishnoo Pooran Preface. XIV.) i atzīti s cits (ca? বেশ-ভূষা বিষয়ক বিশ্বাস-দ্বয়ের সংমিশ্রণে যথাক্রমে বৈষ্ণব ও জৈন ধর্ম উৎপন্ন হইয়াছে। শাক্ত ধর্মে সমগ্র লোকের প্রাচীন অন্ধ বিশ্বাস অধিকতর স্পষ্টরূপে ব্যক্ত হয় ; শক্তি-উপাসকগণ দুর্ভিক্ষ, মহামারী ও স্বত্যুবিধায়ত্রী ভয়ঙ্করী দেবীর সমক্ষে ভয়ে মস্তক অবনত করিয়া থাকে। অধুনা মধ্যভারতের অন্তর্গত ভিলসার নিকটবতী বৌদ্ধধমের ‘টোপি' বা অৰ্দ্ধগোলাকার যে স্মৃতিস্তম্ভ বর্তমান রহিয়াছে, বোধ হয়, সেইটি সৰ্বশ্রেষ্ঠ। এক পুরুষ পুর্বে ইংরেজগণ প্রাচীন কাঁঠি-কাহিনী পরিপূর্ণ এই স্তম্ভমধ্যস্থিত কাল্পনিক কোটর ৰ পাত্র অনুসন্ধান করিবার জন্ত স্তম্ভটীর কিয়দংশ ধ্বংস করিয়া ইংরেজ নাম কলঙ্কিত করিয়াছেন। এক্ষণে ইংরাজগণ কেবলমাত্র তাহার একটী নক্স প্রস্তুত করিয়া রাখিয়াছেন। উহা জ্ঞানীদিগের পক্ষে বিশেষ উপযোগী। এই অদ্বিতীয় প্রস্তর-প্রাকারের বহুসংখ্যক ভাস্কর্য ( "bas-reliefs', ) অশোকের রাজত্বকালীন ভারতবর্ষের ধর্ম ও আচার পদ্ধতিসমূহের প্রকৃষ্ট সাক্ষ্য প্রদান করিতেছে। এই সমস্ত ভাস্কর্য জখিলে বুঝা যায় যে, তাৎকালিক অধিবাসিগণ, বৃক্ষ, স্বর্য, ভূপ (অথবা টোপি) গুলিকেই পৃথিবীর কেন্দ্রস্থিত পর্বত বা মেরুর প্রত্যক্ষ নিদর্শন এবং বুদ্ধকে জগদীশ্বরের সাকার স্বরূপ মনে করিয়া, যথেষ্ট শ্রদ্ধা ও উপাসনা করিত। তৎকালে এতদেশবাসিগণের মধ্যে কোন কোন জাতি উচ্চ "টুপি" এবং ছোট জামা ব্যবহৃত করিত। তাঁহাদের বেশ-ভূষা হিন্দুদিগের প্রচলিত বেশভূষা হইতে সম্পূর্ণরূপে পৃথক ছিল। ৭ । এলফিনষ্টোন সাহেব উইলসনের অক্সফোর্ডের বক্তৃত এবং বিষ্ণুপুরাণ হইতে কিয়দংশ উদ্ধৃত করিয়া ডাহার ইতিহাসে লিখিয়াছেন (History I. 13 ),—‘অর্চনীয় দেবতার কোন প্রতিমূর্তি বা প্রত্যক্ষ নিদর্শন আছে বলির মনে হয় না। অথচ নুতন ও পুরাতন উভয় খৃষ্টীয় ধর্মগ্রন্থেই ( old and New Testaments) afft on stufa floosa,—oot *firs afts (Strauss Life of Jesus, 361 ) । বেদে ঐশ্বরিক তেজ (শক্তি ) এবং গুণের মনুষ্যরূপ বর্ণিত আছে। ইহদীগণের অন্যাস্ত DDDDB BBBB SBBBBBS DDDD BBBDD DB DDBBS BB BBBBS BBS BBBDDDS শিব, এবং অন্যাস্ত দেবদেবীর অবতারণায় একেশ্বর প্রথার বিশেষ কোন পরিবর্তন ঘটে নাই। ৰদিও ৰৈখিক প্রথা সম্বন্ধে ‘কোলক্রকের ও অন্যাস্ত গ্রন্থকর্তার এবং রামমোহন রায়ের প্রয়োজনীর টাকা এবং অনুক্ৰমণিকা বর্তমান আছে, তথাপি বেদ ও বেদান্ত ধম সম্বন্ধে এখনও অনেক বিষয়ে শিক্ষার অভাৰ afùfte I ('Asiatic Researches, VIII; *Transactions, Royal Asiatic Society', i and il, and "Ram Mohan Roy on the Veds') a tow (Ward's Hindu's ii, 175, उब्रांप्éद्र “श्न्नूि नाभक अप्इब्र'cवनांख गांब्र' নামক অনুদিত অংশ এবং ভাক্তার রোয়ারের পরিশোধিত ও