পাতা:শোধবোধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রথম অঙ্ক শোধ-বোধ छूडीौग्न छूश्च লাহিডি। তাড়া আমাকে দিতে হবে না, তাব ঘবেব মধ্যেই তাড দেবাব লোক আছে। সবই প্রায় ঠিকঠাক এখন কেবল একটা আইনেব খট্কা উঠেছে—এক ছেলেকে পোস্যপুল লওযা যায় কি না—তা ছাড সতীশের আবাল ব্যস হ’যে গেছে । জাষা । আইন তো তোমাদেরই হাতে—তোমবা চোখ বুজে একটা বিধান দিযে দাও না । লাহিডি। ব্যস্ত হযো না—পোষ্যপুল্ল না নিলেও অন্য উপায আছে। জাষা। আমাকে বাচালে। আমি ভাব ছিলেম সম্বন্ধ ভাঙি কি ক’বে। আবাব আমাদেব নেলি যে বকম জেদালো মেয়ে, সে যে কি কবে’ ব’সতে বলা মান না । কিন্তু তাই বলে গবীবেব তাতে তো মেযে দেওয়া যায না । ঐ দেখ, তোমাব মেয়ে কেঁদে চোখ ফুলিয়েছে। লাহিডি। কিন্তু নেগি যে সতীশকে ভালবাসে, সে তো দেখে মনে হয না । ও তো সতীশকে ন কেব জলে চোখেব জলে কবে । এক সময়ে আমি ভাব তুম, নদীব ওপবেই ওব বেশি টান। জায । তোমাব মেযেটির ঐ স্বভাব—সে যাকে ভালবাসে, তাকেই জ্বালাতন কবে । দেখ না বিডলছানাটাকে নিযে কি কাণ্ডটাই কবে ! কিন্তু আশ্চৰ্য্য এই, তবু তো ওকে কেউ ছাড তে চায় না। নলিনীব প্রবেশ নলিনী। মা, একবাব সতীশবাবুব বাডি যাবে না ? তাৰ মা বোধ হয় খুব কাতব হয়ে পড়েছেন। বাবা, আমি একবাব তাব কাছে যেতে চাই ।