পাতা:শোধবোধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রথম অঙ্ক শোধ-বোধ চতুর্থ দৃশু ওব কি বেশি অনিষ্ট কবা হবে ? কে আমাকে ছেলেবেলা হ’তে নলাবেব মতো সৌৰ্থন কবে তুলেচে এবং আজ ভিক্ষুকেব মতো পথে বেব কল্পে ? কে আমাকে পিতাব শাসন থেকে বিশ্বেব লাঞ্ছনাব মধ্যে টেনে আনলে ? কে আগমণকে— সুকুমাৰী। ওগো শুনচো ? তোমাব সামনে আমাকে এমনি কবে? অপমান কবে ? নিজেব মুখে বলে কি না, থোকাকে শলা টিপে মার্বে ? ও মা, কি হবে গো । আমি কালসাপকে নিজেব হাতে তুবকলা দিযে পুষেচি। সতীশ । দুধকলা আমাবও ঘবে ছিলো—সে তৃপকলাষ আমাব বক্ত বিষ হযে উঠতো না—তা থেকে চিবকালেব মতো বঞ্চিত কবে? তুমি যে দুধকলা আমাকে খাইযেচো, তাতে আমাল বিষ জমে উঠেচে । সত্য কথাই ব’লচে, এখন আমাকে ভষ কবাষ্ট চাই—এখন আমি দংশন ক’বতে পাবি। ← ? } „ বিধুমুখীর প্রবেশ বিধু। কি সতীশ, কি হ’যেচে, তোকে দেখে যে ভ্য হয় । অমন কলে’ তাকিয়ে আছিস কেন ? আমাকে চিনতে পাবচিস নে ? আমি তেবে মা, সতীশ ! সতীশ । মা, তোমাকে মা ব’লবো কোন মুখে ? মা হ’য়ে কেন তুমি আমাকে জেল থেকে ফিবিষে আনলে? সে কি মাসিব ঘবেব চেয়ে ভয়ানক ? শশধব । আঃ সতীশ ! চলো চলো—কি ব’কচো, থামো । সুকুমাবী। নাও তোমবা বোঝাপড়া কবো—আমাৰ কাজ আছে। প্রস্থান । ૭૭ ]