পাতা:শ্রীনরোত্তম চরিত - শিশিরকুমার ঘোষ.pdf/১৩১

উইকিসংকলন থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*。 শ্ৰীনিবাসের পত্র । Rt ঠাকুর মহাশয়কে পত্র লিখিলেন যে, তিনি বৃন্দাবন চলিতেছেন। এখন গমন না করিলে হয়তো জীব গোস্বামীর আর দর্শন পাইবেন না। কিন্তু একক তিনি যাইতে পারেন না। যদি রামচন্দ্র সঙ্গে যান, তবেই যাইতে পারেন। অতএব কয়েক মাসের জন্য ৰদি ঠাকুর মহাশয় রাম চন্দ্ৰকে ছাড়িয়া দেন, তবেই তাহার বৃন্দাবনে যাওয়া হয়। ঠাকুর মহাশয় পত্ৰ পাইয়া ঈষৎ হাসিয়া, উহা রামচন্দ্ৰকে পড়িতে দিলেন । রামচন্দ্র গুরুদেবের পত্র প্রথমে মস্তকে স্পর্শ করিয়া পরে পড়ি লেন। পত্রের মধ্যে গুরুদেব যে বীজ পাঠাইয়াছেন, তাহা তিনি জানিতেন না। পত্ৰ পড়িয়া রামচন্দ্রের মুখ শুকাইয়া গেল। রামচন্দ্ৰ, আচাৰ্য প্রভুর শিষ্য। গুরু শিধ্যে অত্যন্ত প্রণয় । সেই গুরুর সঙ্গে বৃন্দাবনে যাইবেন । বৃন্দাবন যাওয়া অপেক্ষা বৈষ্ণবদের আর কি সুখ আছে ? কিন্তু ঠাকুর মহাশয়ের সঙ্গ ছাড়িয়া যাইতে হইবে, ইহাই মনে করিয়া রামচন্দ্ৰ চারিদিকে অগাধার দেখিতে লাগিলেন। ঠাকুর মহাশয়ের পিতা, পুত্ৰ, ভগ্নী, স্বামী, স্ত্রী, বন্ধু- সবই তিনি। ঠাকুর । মহাশয়ের তিনি একমাত্র সম্বল। তাহার সঙ্গ ব্যতীত ঠাকুর মহাশয়ের * পৃথিবীর আর কোন সুখ নাই। ঠাকুর মহাশয়কে ছাড়িয়া গেলে তঁাহার * নিজের যে দুঃখ হইবে, তাহাৰ্তাহার হৃদয়ে স্থান পাইতেছে না ; কিন্তু তাহার বিরহে ঠাকুর মহাশয় কি আর ধারায় থাকিবেন ? ) রামচন্দ্ৰ নীরবে রোদন করিতে লাগিলেন । তঁহাকে যাইতেই হইবে। তিনি যাইবেন না একথা বলিতে পারিতেন; কিন্তু अiशव । প্ৰভু ভঁাহার গুরু, তাহার আজ্ঞা কিরূপে লঙ্ঘন করিবেন ? তখন ঠাকুর মহাশয় রামচন্ত্রের অবস্থা দেখিয়া ভঁাহাকে সাত্মনা' । বাক্য বলিতে লাগিলেন। ঠাকুর মহাশয় বলিলেন, “রামচন্দ্র। নিত্য-ত । SqS S S DBDB BDDD LDBG iLii TBLL D DB DBi i BBBS BGBLBDB BDD DBY digitized at BRCin sedia Corri