পাতা:শ্রীশ্রীচণ্ডী-মহেন্দ্র নাথ মিত্র.djvu/১৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ꮌ©8 চণ্ডী তখন ভগবান হরি জাগরিত হইলেন; এবং মধু ও কৈটভ অমুরের সহিত মহা যুদ্ধ করিয়া, তাছাদের বিনাশ সাধন করিলেন । এই উপাখ্যানে, আমরা স্বষ্টি সম্বন্ধে মূলতত্বের আভাষ পাই। আমরা বুঝিতে পারি যে, এই কৃষ্টির পূৰ্ব্বে কেবল মাত্র তমই বিদ্যমান ছিল। এই তামসশক্তিই বিষ্ণুর মহামায়া। তাহার দ্বারা পরম পুরুষ ভগবান স্বয়ং অভিভূত ছিলেন। স্বষ্টির প্রথমে এই তম-শক্তি নিখিল বিশ্ব ব্যাপিয়া অতুল প্রভাবে বিদ্যমান ছিল। ক্রমে সেই তম-শক্তি হীন-তেজ হইলে, তাহা হইতে সত্ব ও রজ-শক্তির স্ফুরণ হয়। ক্রমে সেই সত্ব শক্তির দ্বারা তম-শক্তি অভিভূত হইয় পড়ে ;–তখন রজ-শক্তি হইতে, ४छद-रुटेिं श्रांब्रड झग्न। তবে এই কথা বুঝিতে হইলে, আরও দুই একটি দার্শনিক তত্ত্ব মনে করিতে হইবে। সাস্থ্য-মতে সত্ব-রজ-তম এই ত্রিগুণের সাম্য-বস্থাই মূল-প্রকৃতি। প্রলয়ের অবস্থায়, এই ত্রিগুণের এইরূপ সাম্যাবস্থা থাকে। সকল গুণই সমান বলবান-- পরস্পরের দ্বারা পরস্পর অভিভূত ; সুতরাং কোন গুণের ক্রিয়ান্ট তথন থাকে না—কোন গুণেরই বিশেষ বিকাশ থাকে না । স্বাক্টর প্রাক্কালে, সেই অব্যক্ত ত্রিগুণাত্মিক প্রকৃতির গুণ-ক্ষোভ হয়। কেন না, তখন ভগবান পরম পুরুষ হিরণ্যগর্ভ-রূপে সেই প্রকৃতিতে আধিষ্টিত হন । এই গুণ-ক্ষোভ হইলে, প্রথমেই তম-শক্তি ব্যক্তরূপে মুক্তিমতী হওয়ায়—ক্রমে তাছা হইতে তামস্ বা প্রাকৃত স্বষ্টি হইতে থাকে। আরও সেই তম শক্তির