পাতা:শ্রীশ্রীচণ্ডী-মহেন্দ্র নাথ মিত্র.djvu/১৮৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৭8 চণ্ডী cरुभन कब्रिञ्च त्रांबांब्र cगई वह ‘७क' श्रेञां शाईएउटाइन,-७हे মহাশক্তি-তত্ত্ব—চওঁীর এই সকল উপাখ্যানে বর্ণিত আছে। যে মহাশক্তি এই জগৎ রূপে প্রকাশিত—যিনি জগতকে আধার স্বরূপে ধরিয়া আছেন, সেই মহাশক্তির মহাবিকাশ আমরা এইরূপে কিঞ্চিৎ জানিতে পারি। সে যাহা হউক, এই সকল উপাখ্যানে আরও গুঢ় তত্ত্ব নিহিত আছে । ইহা বলা যাইতে পারে যে এই সকল উপাখ্যানে, রূপক-ছলে অনেক সত্য বুঝান আছে। অবশু যাহারা বিশ্বাসবান হিন্দু, তাহার এই রূপকের কথা বিশ্বাস করিবেন না। তাঁহাদের মতে চণ্ডী প্রতি অক্ষরে অক্ষরে সত্য-ইহাতে সত্য ঘটনাই বিবৃত হইয়াছে। তাহদের মতে চণ্ডীতে কোথাও রূপক নাই। তাহার মনে করেন, দেবামুর-যুদ্ধ যথার্থ ঘটনা। এ সম্বন্ধে আমরা এই বলিতে পারি যে, এইরূপ দেবাসুর-সংগ্রাম প্রায় সকল ধৰ্ম্মেই বিবৃত আছে। বেদে দেবামুর-যুদ্ধের কথা আছে। পুরাণের ত কথাই নাই। পারসীদের জেনা অবংস্তায় এই দেবামুরের কথা আছে। ইহুদী, খ্ৰীষ্টান বা মুসলমান--সকলেই দেবদূতগণের সহিত শয়তানের যুদ্ধ স্বীকার করেন। যাহারা মনে করেন, এই সকল উপাখ্যান রূপক মাত্র,—র্তাহারা অন্ত রূপে এই সকল উপাখ্যান ব্যাখা করেন । তদনুসারে চণ্ডীর স্বষ্টি ব্যাখ্যা মূলক প্রথম উপাখ্যান ছাড়িয়া দিয়া, শেষ দুই উপাধ্যানের তিন প্রকার অর্থ হইতে পারে—ঐতিহাসিক, বৈজ্ঞানিক ও আধ্যাত্মিক । ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা এই যে, অসভ্য অবস্থায় মানৰকে বন্যজন্তুর সহিত সংগ্রাম করিতে হইত। তখন অধিকাংশ স্থানে ঘোর অল্প