পাতা:শ্রীশ্রীচণ্ডী-মহেন্দ্র নাথ মিত্র.djvu/১৯৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>b〜○ চণ্ডী করিতে পারে। সেই ব্ৰহ্ম—কেবল পুরুষ নহেন। তিনি পুরুষস্ত্রী এই দ্বৈত-ভাবময়—‘পিতা-মাতা স্বরূপে আমাদের জ্ঞানে প্রতিভাত। ইহাদের মধ্যে, শক্তি,—স্ত্রী বা প্রকৃতি-রূপিণী— জগন্মাতা। আর শক্তির আধার,-পুরুষ—পিতা। কিন্তু সেই অতি গুঢ় দার্শনিক তত্বের বিস্তারিত উল্লেখ এস্থলে সম্ভব न:श् । যাহা হউক, আজি পৰ্য্যন্ত আর কোন দেশে-কোন দর্শনে— আদ্যাশক্তিকে এই মাতৃ-ভাব ধারণ করা হয় নাই –কোন ধৰ্ম্মে—- এইরূপ মাতৃ-ভাবে উপাসনাও প্রবর্তিত হয় নাই। আশ্চৰ্য্য যে এমন কোমল মধুময় মৰ্ম্মস্পর্শী—এমন মন-প্রাণস্নিগ্ধকর উপাসন, এমন জোর করিয়া ভগবানকে আপনার করিয়া লইয়া সাধনা, মার কাছে যেমন আবদার অভিমান চলে—তেমনই জোর করিয়া আবদার করিয়া আরাধনা, অদ্যাবধি আর কোথাও প্রবৰ্ত্তিত হয় নাই। এই মহা মাতৃ-ভাবে আরাধনী—এক হিন্দু ব্যতীত জগতে সকল জাতির নিকট অজ্ঞাত। এক হিন্দু ব্যতীত, সকলেই এই মহা রসাস্বাদে বঞ্চিত। অমৃত-নিসান্দিনী 'মা' শব্দের মহিমা —তাহার অদ্ভুত শক্তি যিনি বুঝেন, তিনিই মাতৃ-ভাবে সাধনারমৰ্ম্ম হৃদয়ঙ্গম করিতে সক্ষম হইবেন । ইহার নিকট পিতৃ-ভাবে উপাসন অনেক শক্তিহীন ; বুঝি পতি-ভাবে মধুর রসের প্রেম-উপাসনাও ইহার সমতুল্য নহে। এই একমাত্র মহাতত্ত্ব প্রচার জন্তই— চণ্ডীর অমরত্ব। এইজন্য চণ্ডী—মহাধৰ্ম্ম গ্রন্থ। এইজন্যই চণ্ডী— সকল তত্ত্ব-জিজ্ঞাস্কর নিকট বড় আদরের সামগ্রী। চণ্ডীহইতে, আমরা আরও অনেক তত্ত্ব জানিতে পারি। কিন্তু