পাতা:শ্রীশ্রীচণ্ডী-মহেন্দ্র নাথ মিত্র.djvu/১৯৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মাহাত্ম্য । >brs দেবী সমাধিকে বর দিয়াছিলেন–জ্ঞান লাভ করিয়া, তাহা দ্বারা ক্রমে সিদ্ধ হইবে। তথাপি আমরা বলিতে বাধ্য যে, চণ্ডীতে কোথাও সকাম সাধনাকে হেয় বলা হয় নাই। সকাম সাধনা পূৰ্ব্বে বেদে প্রবর্তিত ছিল। পরে নানা কারণে সেই সকাম ধৰ্ম্মের লোপ হইয় ভারতে বৈরাগ্যের বিস্তার হইয়াছিল। চওঁীতে সেই সকাম সাধনার পুনঃ প্রচার দ্বারা, ধৰ্ম্ম জগতে যুগান্তর উপস্থিত হইয়াছিল জ্ঞানের ক্রমোন্নতি-বলে বা অধিকার-অনুসারে,সকাম সাধনাহইতে ক্রমে ক্রমে নিষ্কাম সাধনায় আরোহণ করা যায় ; প্রতিমাতে বা বস্তু কিম্বা ব্যক্তি বিশেষেতে ঈশ্বর ধারণা হইতে ক্রমে ক্রমে বিশ্ব রূপ ঈশ্বরের ধারণায়, ও শেষে এক অদ্বিতীয় ব্রহ্ম বা ব্ৰহ্ম শক্তির ধারণায় আরোহণ করিতে হয়।—এই অতি নিগৃঢ়-তত্ত্ব চওঁী হইতে শাক্তগণ প্রথম আবিষ্কার করিয়া সাধনার স্তব স্থির করিয়াছিলেন,এবং এইজন্য র্তাহারা সকল প্রকার ধৰ্ম্ম-সাধনা মধ্যে এক অনন্ত সত্যের ধারণা করিয়াছিলেন। যাহা হউক, সে সকল বিষয় এস্থলে আলোচ্য নহে । চওঁতে যে অদ্ভুত শক্তিবাদ প্রচারিত হইয়াছে, তাহ চণ্ডীয় পূৰ্ব্বে আর কোথাও পরিষ্কার রূপে উল্লিখিত হয় নাই। বেদে যে দেবী-হুক্ত আছে, তাহাতে স্পষ্টরূপে এই শক্তিবাদ বুঝান নাই। তবে চণ্ডী হইতে বুঝা যায় যে, এই দেবী-হুক্তকেই শক্তিবাদের মূল বলিয়া, চণ্ডীতে ধরিয়া লওয়া হইয়াছে। বেদান্তে বা দৰ্শন-গ্রন্থে কোথাও শক্তিবাদ প্রচারিত হয় নাই। ‘তারা উপনিষদ প্রভতি কতকগুলি শাক্ত উপনিষদ আছে বটে, কিন্তু