পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/১০৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ցԵր ఃF স্ত্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত—৫ম ভাগ [ ১৮৮৩, ২২শে সেপ্টেম্বর গলিলেই চিৎশক্তির, সেই মহামায়ার শরণাগত হতে হয় go ٭۔ ۔ הס ঈশান—আপনি কৃপা করুন। [ ঈশানকে শিক্ষা, “ডুব দাও”—গুরুর কি প্রয়োজন ? ব্রাহ্মণ পণ্ডিত, *if; & §• fai—Mere Book-Learning] ত্রীরামকৃষ্ণ—সরলভাবে বলো, হে ঈশ্বর দেখ দাও, আর র্কাদ ; আর বলো, হে ঈশ্বর, কামিনীকাঞ্চন থেকে মন তফাৎ কর!

  • আর ভুব দাও। উপর উপর ভাস্লে বা সাতার দিলে কি রত্ন পাওয়া যায়? ডুৰ দিতে হয়।”

গুরুর কাছে সন্ধান নিতে হয়। একজন বাণলিঙ্গ শিব খুঁজতে ছিল । কেউ আবার ব’লে দেয়, অমুক নদীর ধারে যাও, সেখানে একটী গাছ দেখবে ; সেই গাছের কাছে একটা ঘরণী জল আছে, সেইখানে ডুব মারতে হবে, তবে বাণলিঙ্গ শিব পাওয়া যাবে। তাই, গুরুর কাছে সন্ধান জেনে নিতে ङ्झ ।” ঈশান—আজ্ঞা হা । শ্রীরামকৃষ্ণ-সচ্চিদানন্দ গুরুরূপে আসেন। মানুষ গুরুর কাছে যদি কেউ দীক্ষা লয়, তাকে মানুষ ভাবলে কিছু হবে না। তাকে সাক্ষাৎ ঈশ্বর ভাবতে হয়, তবে ত ময়ে বিশ্বাস হবে ? বিশ্বাস হলেই সব হয়ে গেল ! শূদ্র (একলব্য ) মাটর দ্ৰোণ তৈয়ার করে বনেতে বাণশিক্ষা করেছিল। মাটীর দ্রোণকে পূজা করত, সাক্ষাৎ দ্রোণাচাৰ্য্য জ্ঞানে ; তাইতেই বাণশিক্ষায় সিদ্ধ হ’ল । Αν

  • আর তুমি ব্রাহ্মণ পণ্ডিতদের নিয়ে বেশী মাখামাখি কোরো না। ওদের

চিন্ত দু’পয়সা পাবার জন্ত ” “আমি দেখেছি, ব্রাহ্মণ স্বস্ত্যয়ন করতে এসেছে, চওঁী পাঠ কি আর

  • “পিতাসি লোকস্ত চরাচরস্ত। স্তমস্ত পূজ্যশ্চ গুরুর্গীয়ান।”— গীতা—১১৪৬