পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/১২৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


একাদশ খণ্ড গ্ৰথম পরিচ্ছেদ দক্ষিণেশ্বরে (কাজাগর লক্ষী পূর্ণিমা—১৮৮৩ [ রাখাল, বলরামের পিতা, বেণীপাল, মাষ্টার, মণি মল্লিক, ঈশান, কিশোরী (গুপ্ত) প্রভৃতি সঙ্গে ] আজ মঙ্গলবার ১৬ই অক্টোবর ১৮৮৩, ৩০শে আশ্বিন। বলরামের পিতা মহাশয় ও অন্তান্ত ভক্ত উপস্থিত আছেন। বলরামের পিতা পরম বৈষ্ণব, হাতে হরি নামের মালা সৰ্ব্বদা জপ করেন। গোড়া বৈষ্ণবেরা অন্ত সম্প্রদায়ের লোকদের ততো পছন্দ করেন না। . বলরামের পিতা শ্রীরামকৃষ্ণকে মাঝে মাঝে দর্শন করিতেছেন, তাহার ঐ সকল বৈষ্ণবের ন্তায় ভাব নাই । শ্রীরামকৃষ্ণ—যাদের উদার ভাব তারা সব দেবতাকে মানে—কৃষ্ণ, কালী, শিব, রাম ইত্যাদি। বলরামের পিতা—হা, যেমন এক স্বামী ভিন্ন পোষাক। হীরামকৃষ্ণ—কিন্তু নিষ্ঠ ভক্তি একটা আছে। গোপীরা যখন মথুরায় গিয়েছিল তখন পাগড়ী-বাধা কৃষ্ণকে দেখে ঘোমটা দিল, আর বল্লে, ইনি আবার কে ? আমাদের পীতধড়া মোহনচূড়া পরা শ্ৰীকৃষ্ণ কোথায় ? “হুকুমানেরও নিষ্ঠা ভক্তি। দ্বাপর যুগে দ্বারিকায় যখন আসেন কৃষ্ণ রুক্মিণীকে বললেন, হকুমান রামরূপ না দেখলে সন্তুষ্ট হবে না। তাই রামরূপ ধরে বসলেন।” [ শ্রীরামকৃষ্ণের অদ্ভূত অবস্থা—নিত্য লীলাযোগ] ঐরামকৃষ্ণ-কে জানে বাপু, আমার এই রকম অবস্থা। আমি কেবল নিত্য থেকে লীলায় নেমে আসি, আবার লীলা থেকে নিতে যাই। o