পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/১২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


S}{3 শ্ৰীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত—৫ম ভাগ [ ১৮৮৩, ১৬ই অক্টোবর আসতে হবে—আবার জন্ম হবে। তুমি কৰ্ত্তা বোধ হলে আর পুনর্জন্ম হবে না। যতক্ষণ না তুহু তুহু করবে ততক্ষণ ছাড়বে ন! গতায়াত পুনর্জন্ম হবেই-মুক্তি হবে না। আর আমার আমার বল্লেই বা কি হবে। বাবুর সরকার বলে ‘এটা আমাদের বাগান, আমাদের খাট, কেদারা। কিন্তু বাবু যখন তাড়িয়ে দেন, তার নিজের আসকাঠের সিন্দুকটা নিয়ে যাবার ক্ষমতা থাকে না !

  • আমি আর আমার” সত্যকে আবরণ করে রেখেছে—জানতে দেয় না।”

[ অদ্বৈত জ্ঞান ও চৈতন্ত দর্শন ] “অদ্বৈতজ্ঞান না হলে চৈতন্য দর্শন হয় না। চৈতন্তদর্শন হলে তবে নিত্যানন্দ। পরমহংস অবস্থায় এই নিত্যানন্দ ।” “বেদস্ত মতে অবতার নাই। সে মতে চৈতন্তদেব অদ্বৈতের একটি ফুট।” “চৈতন্যদর্শন কিরূপ? এক একবার চিনে দেশলাই জেলে অন্ধকার ঘরে যেমন হঠাৎ আলো ৷” [ অবতার বা মানুষ রতন ] “ভক্তিমতে অবতার। কৰ্ত্তাভজা মেয়ে আমার অবস্থা দেখে বলে গেল, “বাবা ভিতরে বস্তু লাভ হয়েছে অত নেচে টেচো না, আজুর ফল তুলোর উপর যতন করে রাখতে হয়। পেটে ছেলে হলে শাশুড়ী ক্রমে ক্রমে খাটতে দেয় না। ভগবান দর্শনের লক্ষণ, ক্রমে কৰ্ম্মত্যাগ হয়। এই মানুষের ভিতর মানুষ রতন আছে।” আমার খাওয়ার সময় সে বলতে, বাবা তুমি খাচ্চে, না কাউকে খাওয়াচ ?” পএই ‘আমি জ্ঞানই আবরণ করে রেখেছে। নরেন্দ্র বলেছিল এ আমি যত । বাবে তার আমি তত আসবে’। কেদার বলে, কুম্ভের ভিতরের মাটি । যতখানি থাকবে ততখানি এদিকে জল কমবে।”