পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/১৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দক্ষিণেশ্বর-ফলহারিণী পূজা ও বিদ্যামুন্দরের যাত্রা S. Go ? “তোমার কি বিবাহ হয়েছে ? ছেলে পুলে ?” বিদ্যা—আজ্ঞে, একটি কন্যা গত ; আরো একটি সস্তান হয়েছে। ঐীরামকৃষ্ণ–এর মধ্যে হোলো, গেল। তোমার এই কম বয়স । বলে —সাজ সকালে ভাতার ম’লো কাদব কত রাত’ । ( সকলের হাস্ত্য )।

  • সংসারে মুখ ত দেখছো ! যেমন আমড়া, কেবল অঁাটি আর চামড়া । খেলে হয় অন্ন-শূল।”

“যাত্রাওয়ালার কাজ করছ, তা বেশ ! কিন্তু বড যন্ত্রণা। এখন কম বয়স, তাই গোলগাল চেহারা । তার পর সব তুবড়ে যাবে। যাত্রাওয়ালারা প্রায় ঐ রকমই হয়। গাল-তোবড়া, পেট মোটা হাতে তাগা ( সকলের হাস্ত ) ৷” “আমি কেন বিদ্যাসুন্দর শুনলাম ? দেখলাম—তাল, মান, গান বেশ । তারপর মা দেখিয়ে দিলেন যে নারায়ণই এই যাত্রাওয়ালাদের রূপ ধারণ করে যাত্রা করছেন।” বিদ্য| —আজ্ঞে, কাম আর কামনা তফাৎ কি ? গ্রীরামকৃষ্ণ—কাম যেন গাছের মূল, কামনা যেন ডালপালা । “এই কাম, ক্রোধ, লোভ ইত্যাদি ছয় রিপু একেবারে ত যাবে না ; তাই ঈশ্বরের দিকে মোড় ফিরিয়ে দিতে হবে। যদি কামনা করতে হয়, লোভ করতে হয়, তবে ঈশ্বরে ভক্তি-কামনা করতে হয়, আর তাকে পাবার লোভ করতে হয়। যদি মদ অর্থাৎ মত্ততা করতে হয়, অহঙ্কার করতে হয়, তাহলে আমি ঈশ্বরের দাস, ঈশ্বরের সন্তান, এই বলে মত্ততা, অহঙ্কার করতে হয়।”

  • সব মন র্তাকে না দিলে তাকে দর্শন হয় না।”

[ ভোগাস্তে যোগ—ত্ৰাতৃস্নেহ ও সংসার ] “কামিনী কাঞ্চনে মনের বাজে খরচ হয়। এই দেখ না, ছেলে মেয়ে হয়েছে, যাত্রা করা হচ্ছে—এই সব নানা কাজে ঈশ্বরেতে মনের যোগ হয় না।” “ভোগ থাকলেই যোগ কমে যায়। ভোগ থাকলেই আবার জালা।