পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/১৭৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দক্ষিণেশ্বরে—ভক্ত সঙ্গে ভক্ত কথাপ্রসঙ্গে, গুহ কথা °C也以 পরে কলম ছেড়ে কেদার থেকে নেমে বসল ; তা আমাদের নমস্কার টমস্কার করা নাই । “এখানে মাঝে মাঝে আসত। আমি একদিন ভাবাবস্থাতে বললাম, সাধুর সম্মুখে পা তুলতে নাই। ওতে রজোগুণ বৃদ্ধি হয়। তারা এলেই আমি নমস্কার করতুম, তখন ওরা ক্রমে ভূমিষ্ঠ হয়ে নমস্কার করতে শিখলে।” { ব্রাহ্ম সমাজে হরিনাম ও মার নাম—ভক্ত হৃদয়ে ঈশ্বর দর্শন । “অরি কেশবকে বল্লাম, ‘তোমরা হরিনাম কোরো, কলিতে র্তার নাম গুণ কীৰ্ত্তম করতে হয় ।” তখন ওরা খেলি করতাল নিয়ে হরিনাম ধরলে ।** “হরিনামে বিশ্বাস আমার আরও হলো কেন ? এই ঠাকুরবাড়ীতে সাধুরী মাঝে মাঝে আসে ; একটি মূলভানের সাধু এসেছিল, গঙ্গাসাগরের লোকের জন্য অপেক্ষা করছিল । ( মাষ্টারকে দেখাইয়া ) এদের বয়সের সাধু। সেই বলেছিল, “উপায় নারদীয় ভক্তি ” কেশবকে উপদেশ-কামিনী কাঞ্চন আঁসচুপড়ী—সাধুসঙ্গ ফুলের গন্ধ— মাঝে মাঝে নিজনে সাধন ] “কেশব একদিন এসেছিল ; রাত দশটা পৰ্য্যস্ত ছিল। প্রতাপ আর কেউ কেউ বল্লে, আজ থেকে যাব ; সব বটতলায় ( পঞ্চবটীতে ) বসে। কেশব বল্লে, না কাজ আছে, যেতে হবে ।” “তখন আমি হেসে বল্লাম, আঁসি চুপড়ীর গন্ধ না হলে কি ঘুম হবে না ? একজন মেছুনী মালীর বাড়ীতে অতিথি হয়েছিল ; মাছ বিক্রি করে আসছে চুপড়া হাতে আছে। তাকে ফুলের ঘরে শুতে দেওয়া হল। অনেক রাত পৰ্য্যস্ত ফুলের গন্ধে ঘুম হচ্ছে না , বাড়ীর গিন্নী সেই অবস্থা দেখে বল্লে, কি গো ছট্‌ফট্‌ করছিস্ কেন ? সে বলে, কে জানে বাবু, বুঝি এই ফুলের গন্ধে ঘুম হচ্ছে না ; আমার অসিচুপড়াটা আনিয়ে দিতে পার ? তা হলে বোধ হয়

  • শ্ৰীযুক্ত কেশব সেন থোল করতাল লয়ে কয়েক বৎসর ধরিয়া ব্ৰহ্মনাম করিতেছিলেন । স্ত্রীরামকৃষ্ণের সহিত ১৮৭৫ সালে দেখা হইবার পর হইতে বিশেষ ভাবে হরিনাম ও মায়ের নাম খোল করতাল লইয়া কীৰ্ত্তন করিতে লাগিলেন ।