পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/১৮৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দক্ষিণেশ্বরে—জন্মোৎসব দিবসে নরেন্দ্রকে নানা উপদেশ »ዓ > নরেন্দ্র হাজরা মহাশয়ের সঙ্গে বাহিরের বারাণ্ডায় অনেকক্ষণ গল্প করিতেছিলেন । নরেন্দ্রের পিতৃবিয়োগের পর বাড়ীতে বড়ই কষ্ট হইয়াছে ! এইবার নরেন্দ্র ঘরের ভিতর আসিয়া বসিলেন। [ নরেন্দ্রের প্রতি ঠাকুরের নানা উপদেশ ] স্ত্রীরামকৃষ্ণ ( নরেন্দ্রের প্রতি )—তুই হাজরার কাছে বসেছিলি ? তুই বিদেশিনী, সে বিরহিনী ! হাজরীরও দেড়হাজার টাকার দরকার। ( হাস্ত্য )। “হাজরা বলে, 'নরেন্দ্রের ষোলআন সত্ত্বগুণ হয়েছে, একটু লালচে রজঃগুণ আছে ! আমার বিশুদ্ধ সত্ত্ব সতের আনা । ( সকলের হাস্ত )। “আমি যখন বলি, ‘তুমি কেবল বিচার কর, তাই শুষ্ক, সে বলে, “আমি সৌর সুধা পান করি, তাই শুষ্ক।” “আমি যখন শুদ্ধা ভক্তির কথা বলি, যখন বলি শুদ্ধ ভক্ত টাকা কডি ঐশ্বৰ্য্য কিছু চায় না ; তখন সে বলে, ‘ৰ্তার কৃপাবন্ত এলে নদীত উপচে যাবে, আবার খাল ডোবাও জলে পূর্ণ হবে। শুদ্ধা ভক্তিও হয়, আবার ষড়ৈশ্বৰ্য্যও হয়। টাকা কডিও হয়।” ঠাকুরের ঘরের মেঝেতে নরেন্দ্রাদি অনেক ভক্ত বসিয়া আছেন ; গিরীশও আসিয়া বসিলেন । ত্রীরামকৃষ্ণ ( গিরীশের প্রতি )—আমি নরেন্দ্রকে আত্মার স্বরূপ জ্ঞান করি ? আর আমি ওর অতুগত ৷ গিরীশ–আপনি কারই বা অতুগত নন্‌ ! [ নরেন্দ্রের অখণ্ডের ঘর ] স্ত্রীরামকৃষ্ণ (সহস্তে )—ওর মদের ভাব (পুরুষভাব) আর আমার মেদিভাব ( প্রকৃতিভাব ) । নরেজের উচুঘর, অখণ্ডের ঘর। গিরীশ বাহিরে তামাক খাইতে গেলেন। নরেন্দ্ৰ ( শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি )—গিরীশ ঘোষের সঙ্গে আলাপ হল, খুব বড় লোক ( মাষ্টারের প্রতি )—আপনার কথা হচ্ছিল। শ্রীরামকৃষ্ণ—কি কথা ?