পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/১৮৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দক্ষিণেশ্বরে—জন্ম-মহোৎসব দিবসে নরেন্দ্রের গান ১৭৩ • বললে, আজ বড় যে রং, লালপেড়ের বাহার। আমি বল্লুম, কেশবের মন, ভুলাতে হবে, তাই বাহার দিয়ে এসেছি। এইবার আবার নরেন্দ্রের গান হইবে । শ্রীরামকৃষ্ণ মাষ্টারকে তানপুরাটি পাড়িয়া দিতে বলিলেন। নরেন্দ্র তানপুরাটি অনেকক্ষণ ধরিয়া বাধিতেছেন, ঠাকুর অধৈৰ্য্য হইয়াছেন। বিনোদ বলিতেছেন, বাধা আজ হবে, গান আর, একদিন হবে ( সকলেরহাস্ত্য )। শ্রীরামকৃষ্ণ হাসিতেছেন আর বলিতেছেন, এমনি ইচ্ছে হচ্ছে যে, তানপুরাটা ভেঙ্গে ফেলি। কি টং টং—আবার ‘তানা নানা নেরে মুম্ হবে। ভবনাথ—যাত্রার গোড়ায় আমনি বিরক্তি হয় । নরেন্দ্র ( বাধিতে বাধিতে )— সে না বুঝলেই হয়। শ্রীরামকৃষ্ণ ( সহাস্তে )—ঐ ! আমাদের সব উড়িয়ে দিলে। [ নরেন্দ্রের গান ও শ্রীরামকৃষ্ণের ভাবাবেশ—অস্তমুর্থ ও বহিমুর্থ স্থির জল ও তরঙ্গ ] নরেন্দ্র গান গাহিতেছেন। ঠাকুর ছোট খাটটীতে বসিয়া শুনিতেছেন। S" | অস্তরে জাগিছ ওমা অস্তরযামিনী, কোলে করে আছ মোরে দিবস যামিনী । २ ॥ গাওরে আনন্দময়ীর নাম । ওরে আমার একতন্ত্রী প্রাণের আরাম। নিবিড় আঁধারে মা তোর চমকে অরূপরাশি । | סא তাই যোগী ধ্যান ধরে হয়ে গিরিগুহাবাসী ॥ ঠাকুর ভগবাবিষ্ট হইয়া নীচে নামিয়া আসিয়াছেন ও নরেন্ত্রের কাছে বসিয়াছেন। ভাবাবিষ্ট হইয়া কথা কহিতেছেন।